Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

নির্বাচন তত্ত্বাবধায়কের অধীনেই হবে: ১৮ দল

ঢাকা: নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি যখন গণদাবিতে পরিণত হয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে সরকার দিশেহারা হয়ে নানা ফন্দি ও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মুখপাত্র ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন।

তিনি বলেন, “আগামীতে বাংলাদেশে যদি কোনো নির্বাচন হয়, তা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে। অন্য কোনো উপায়ে নির্বাচন হবে না।”

যদি শিগগির তত্ত্বাবধায়ক মেনে নেয়া না হয়, তাহলে আগামীতে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন ড. মোশারফ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়া পল্টন বিএনপি কার্যাীলয়ের সামনে ১৮ দল আয়োজিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার, বিরোধী দলের সব নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ইলিয়াস আলীসহ গুম হওয়া সব নেতাকর্মীর সন্ধানের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও মহানগর আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকা। বক্তব্য দেন, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আব্দুল মঈন খান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ও কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ইসলামী ঐক্য জোটের নেতা মুফতি ফয়জুল্লাহসহ আরো অনেকে।

খন্দকার ড. মোশারফ বলেন, “সরকার যখন বুঝতে পেরেছে জনগণ আওয়ামী লীগের সঙ্গে নেই, তখনই এই আওয়ামী লীগ সরকার স্বৈরাচারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। গণতন্ত্রের নামে বাকশাল কায়েম করেছে। দেশের এই অবস্থায় সাধারণ মানুষ ও সুশীল সমাজ উদ্বিগ্ন- আগামী নির্বাচন হবে কি হবে না।”

তিনি আরো বলেন, “বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে নতুন নতুন মামলা করবেন, আবার জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য সংলাপের কথা বলবেন- এটা হতে পারে না। সব মামলা প্রত্যাহার ও নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে। গুম হওয়া সবাইকে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।”

বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, “তৌহিদি জনতাকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। চার বছরে শতাধিক মানুষকে গুম করা হয়েছে। যা এদেশের ইতিহাসে কখনো ঘটেনি।”

“সরকার বিরোধী দলকে শূন্য করে ক্ষমতায় থাকতে চায়। ৭৫ সালেও সে খায়েশ পূরণ হয়নি, আজও পুরণ হবে না। কারণ, জনগণ আজ জেগেছে। প্রতিরোধ করতে শুরু করেছে।”

আওয়ামী লীগ নিজেরাই দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করে বিরোধী দলের ওপর তা চাপাতে ষড়যন্ত্র করছে বলেও অভিযোগ করেন ড. মোশারফ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, “এই অপদার্থ সরকারকে ভালো কথা দিয়ে ক্ষমতা থেকে নামানো যাবে না। রাজপথের কঠিন সংগ্রামের মাধ্যমে নির্বাসনে পাঠাতে হবে। আন্দোলন ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানো যাবে না।”

এমকে আনোয়ার বলেন, “শেখ হাসিনার চিন্তাধারা আর বাংলাদেশের মানুষের চিন্তাধারা এক নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। কিন্তু আমরা দেখছি বিরোধী মতকে বন্ধ করে একজন প্রকৃত দেশ প্রেমিক সৈনিককে কিভাবে আটক করা হয়েছে।”

এই সরকারকে অনাস্থা জানাতে এখন বাংলার প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে দুর্গ তৈরি হয়ে গেছে বলেন এমকে আনোয়ার।

সমাবেশে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ বলেন, “এই আওয়ামী লীগ সরকার ২০২১সাল পর্যতন্ত ক্ষমতায় থাকার জন্য বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের ওপর নির্যামতন ও মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করছে।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আবারো যদি গোলাম আযম ও কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাজানো মিথ্যা মামলায় শাস্তি দেয়া হয়, তাহলে এদেশের জনগণ আবারো মাঠে নামবে।”

ইসলামী ঐক্যজোটের নেতা মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, “ফাইনালের ঘণ্টা বেজে গেছে। আর সময় দেয়া যায় না। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নামতে হবে।”

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট