Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

৩ দাবিতে কারাগারে মাহমুদুর রহমানের অনশন

আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। তথ্য প্রযুক্তি আইন ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে করা মামলায় ৭ দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার আগেই গতকাল তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম। এদিকে মায়ের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা, আমারদেশ পত্রিকা বন্ধ ও ১৯ জন সংবাদ কর্মী গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আমরণ অনশন শুরু করেছেন মাহমুদুর রহমান। গত তিন দিন ধরে কোন খাবার গ্রহণ করেননি। সূত্রমতে, ডিবি পুলিশের হাজত খানায় অনশন শুরু করলে জিজ্ঞাসাবাদকারী গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা বিপাকে পড়েন। পরে অন্য দুই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ না করে তড়িঘড়ি করেই আদালতে হাজির করা হয় মাহমুদুর রহমানকে। পরে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম শহীদুল ইসলাম মাহমুদুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তাঁকে প্রথম শ্রেণীর বন্দীর মর্যাদা এবং চিকিৎসা বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষকে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। সেখানে গিয়েও তিনি অনশন অব্যাহত রেখেছেন। এর আগে দুপুরে মাহমুদুর রহমানকে আদালতে হাজির করার পর শুনানীকালে আইনজীবীরা নানা অভিযোগ করেন। এ সময় শুনানাকালে আসামীপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট সানাউল্লাহ, খোরশেদ আলম, মহসিন মিয়া, ইমরান হোসেন, আজিজুল ইসলাম খান বাচ্চু, হোসেন আলী খান হাসান, ওমর ফারুক, তাহেরুল ইসলাম, শামসুজ্জামান, জয়নাল আবেদীন মেজবাহ, আবদুর রহিম মোল্লা ও মহিউদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। আইনজীবীরা আদালত কে জানান, তিন কারণে তিন দিন ধরে অনশন করছেন মাহমুদুর রহমান। তার মায়ের বিরুদ্ধে মামলা, আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ ও সংবাদ কর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে তিনি দানা-পানি মুখে তুলছেন না। আইনজীবীরা আদালতে মাহমুদুর রহমান প্রসঙ্গে বলেন, কলম ছিল মাহমুদুর রহমানের একমাত্র অস্ত্র। সরকার সেই কলম (অস্ত্র) কেড়ে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, রিমান্ডে নিয়ে তার ওপর শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের নামে নানা কায়দায় পীড়ন করেছেন। এতে মাহমুদুর রহমান অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন। তার সুচিকিৎসা প্রয়োজন। আইনজীবীরা আরও বলেন, জালিম সরকারের বিরুদ্ধে ইসলামের বিধান হচ্ছে প্রতিবাদ করা। সরকার তার কলম কেড়ে নেয়ায় ও  নির্যাতন করার কারণে প্রতিবাদ করতে পারছেন না। তাই তিনি আমরণ অনশনের মাধ্যমে সরকারের অত্যাচার, জুলুম ও নির্যাতনের প্রতিবাদ করে যাচ্ছেন।
দুই মামলায় আরও ৬ দিনের রিমান্ড: তথ্য প্রযুক্তি ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আরও দুটি মামলায় তিন দিন করে ৬দিন জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ডিসি (পশ্চিম) মেল্ল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, একটি মামলায় রিমান্ড শেষ হওয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকী মামলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।
জিজ্ঞাসাবাদের নামে মাহমুদুর রহমানকে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে মোল্ল্যা নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরন করেই মাহমুদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। রিমান্ড মানেই নির্যাতন নয়। তার বিুরদ্ধে সুনির্দিষ্ট যে অভিযোগ রয়েছে সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি স্বতস্ফূর্তভাবেই তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপুর্ণ তথ্য দিয়েছেন। মোটেই নির্যাতন করা হয়নি।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট