Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সামরিক গর্ভে জন্ম নেয়া এরশাদ গোঁজামিল-তন্ত্রের প্রবক্তা: ইনু

ঢাকা: তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, “সামরিক গর্ভ থেকে জন্ম নেয়া এরশাদ দেশে গোঁজামিল তন্ত্রের প্রবর্তন করেছেন। এখন দেশে গোঁজামিল তন্ত্রের চর্চা করা হচ্ছে। এই গোঁজামিলতন্ত্র হচ্ছে কিছু গণতন্ত্র, কিছু সামরিকতন্ত্র আর কিছু ধর্মতন্ত্রের সম্মিলিত রুপ।”

তিনি আরো বলেন, “এরশাদের মতো স্বৈরশাসকেরা এই ধরনের গোঁজামিলতন্ত্রের চর্চা করছেন। ক্ষমতায় যাওয়ার নীতিহীন রাজনীতি সাম্প্রদায়িকতার জন্ম দেয়। দেশে এখন সাম্প্রদায়িকতা হচ্ছে সন্ত্রাসী কায়দায়।”

মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় অসাম্প্রদায়িকতার সংগ্রাম’ শীর্ষক দুইদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সেমিনারের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “গণতন্ত্রের কথা বলা হলেও দেশে কখনোই প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। দেশের মানুষকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সাম্প্রদায়িকতার কাঁটা দূর করতে না পারলে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। যে ধরনের অসাম্প্রদায়িক চেতনা মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আজীবন ধরে ধারণ করেছেন।”

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের এই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ধর্মীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক অনেক পার্থক্য রয়েছে। তাই এখানে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বনাম গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এবং ধনতন্ত্রের প্রবর্তনের রাজনীতির চর্চা হয়। তাই এখানকার জনগোষ্ঠীর পিছিয়েছে। গোজামিল তন্ত্রের চক্র ভেদ করে এই গোষ্ঠী আর সামনে আসতে পারে না। ফলে সবসময় নিরাপাত্তার হুমকিতে ভোগে। শুধু অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়লেই হবে না। সব ধরণের চুক্তির বাস্তবায়ন করতে হবে।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জেলে এখনো অনেক জঙ্গি রয়েছে। যারা স্বীকার করেছে যে তারা আফগানিস্তানে ওসামা বিন লাদেনের কাছে সরাসরি প্রশিক্ষিত। এমন অবস্থায় বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িতকা আন্তর্জাতিক মাত্রা পেয়েছে। এই সাম্প্রদায়িকতার বীজ আমাদের ভূগোল এবং ইতিহাসের ভেতরই রয়েছে। আর এই জন্য শুধুমাত্র বাংলাদেশ নয়, সমগ্র দক্ষিণ এশিয়া নিরাপত্তাহীনতা ও আস্থাহীনতায় ভোগে।”

ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামালের সভাপতিত্বে সেমিনারের সমাপনী অধিবশেনে আরো উপস্থিত ছিলেন ড. শ্রী রাধা দত্ত, ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার সন্দীপ চক্রবর্তী, ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিন আখতার ।

উল্লেখ্য, সোমবার ভারতের মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ইনস্টিটিউট অব এশিয়ান স্টাডিজ এবং বাংলাদেশের গবেষণা ও উন্নয়ন কালেকটিভের সহযোগিতায় এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে দু’দিনব্যাপী এই সেমিনারের উদ্বোধন করেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট