Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘স্কাইপ কথোপকথন ইকোনমিস্ট দেখে ছাপিয়েছি’

‘আমি বিচারপতির স্কাইপ কথোপকথন হ্যাক করিনি। ইকনোমিস্ট দেখে ছাপিয়েছি। দেশের জনগণের কাছে প্রকৃত তথ্য পৌঁছে দিতেই ওই কথোপকথন হুবহু প্রকাশ করেছি।’ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য জানিয়েছেন গ্রেপ্তারকৃত দৈনিক আমার দেশ- এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। গতকাল রিমান্ডের চতুর্থ দিনে পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদ করেন মাহমুদুর রহমানকে। জিজ্ঞাসাবাদকারী কর্মকর্তারা বিচারপতির স্কাইপ কথোপকথন প্রকাশের কারণ জানতে চাইলে মাহমুদুর রহমান বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম নিষ্কলুষ করতেই বিচারপতি নিজামুল হক ও প্রবাসী আইনজীবী জিয়া উদ্দীন আহমদের কথামালা প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি নেতিবাচকভাবে গ্রহণ করলে আমার ওপর অন্যায় করা হবে। ঢাকা মহানগর পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বিচারপতির স্কাইপি কথোপকথন হ্যাক করার কথা স্বীকার করেননি মাহমুদুর রহমান। তার দাবি- ইকনোমিস্ট দেখে ছাপিয়েছেন। তিনি বলেন, যেখান থেকেই তিনি কথোপথন সংগ্রহ করুন না কেন, এদেশে তা প্রকাশ করে তিনি রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ করেছেন। সেই অভিযোগের কারণ জানতেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তার সামাজিক অবস্থান ও বিদ্যমান আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সূত্র জানায়, মাহমুদুর রহমানকে রাখা হয়েছে মিন্টো রোডস্থ গোয়েন্দা কার্যালয়ের নিচতলার হাজতখানায়। সেখানে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আরও ৫-৬ জন আসামি রয়েছে। হাজতখানায় তাদের কর্মকাণ্ড সার্বক্ষণিক নজরদারি করার জন্য একাধিক ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো আছে। ওই ক্যামেরার নিচেই মাহমুদুর রহমানের রাত কাটছে। এছাড়া, মাহমুদুর রহমান সহ অন্য আসামিরা কি করছেন, তিনি অন্য কোন আসামির সঙ্গে কথা বলছেন কিনা তা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন ঊর্ধ্বতন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। সূত্র আরও জানায়, ডিবি পুলিশের ক্যান্টিনের খাবার দেয়া হচ্ছে মাহমুদুর রহমানকে। মাঝেমধ্যে রাতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রুমে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইছেন গোয়েন্দারা। এর বাইরে হাজতখানায় ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ছেন মাহমুদুর রহমান। অবসরে অপরাধীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। যদিও গোয়েন্দারা ওই কথোপকথনের বিষয় জানার জন্য ওই অপরাধীদের আলাদা সেলে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তাদের কাছ থেকে মাহমুদুর রহমানের মানসিকতা ও চিন্তা-চেতনার ধরন উদঘাটনের চেষ্টা করছে গোয়েন্দারা।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট