Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘সরকারের সদিচ্ছা থাকলে সকালে সিদ্ধান্ত, বিকেলে অর্ডিন্যান্স’

ঢাকা: জুডিসিয়াল পে স্কেল বা বিচারকদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের পর এ বিষয়ে শুনানিকালে প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেছেন, “সরকারের সদিচ্ছা থাকলে সকালে সিদ্ধান্ত হয়, বিকেলে অর্ডিনেন্স হতে দেখা গেছে। জুডিশিয়ারির জন্য যত কষ্ট, অন্য জায়গায় এত কষ্ট হয় না। ক্ষমতা থাকলেও লাগে, না থাকলেও লাগে। আদালতে সবাইকে আসতে হয়।”

সোমবার বিচারকদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করার পর প্রধান বিচারপতি এ মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার এ বিষয়ে আদেশ দেবেন বলে আদালত জানিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিলের ছয় সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সোমবার এই দিন ধার্য করেন।

এ সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম।

সকালে আদালতে মাহবুবে আলম বলেন, “আমরা একটি আবেদন দাখিল করবো।”

এ সময় আদালত বলেন, “আপনি চাইলে এটা আগেও দাখিল করতে পারতেন। আপনারা আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করেননি।”

আদালত বলেন, “উচ্চ আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করছেন না। সরকারের যদি সদিচ্ছা থাকে তাহলে সকালে সিদ্ধান্ত নিলে বিকেলে অর্ডিন্যান্স হয়ে যায়। জুডিশিয়ারির জন্য যত কষ্ট। অন্য জায়গায় আপনাদের কষ্ট হয় না।”

আদালত আরো বলেন, “ক্ষমতায় থাকলেও বিচার বিভাগকে লাগে, না থাকলেও লাগে। বরং ক্ষমতায় না থাকলে আরো বেশি লাগে। সবাইকে জুডিশিয়ারির কাছে আসতে হয়। আপনাদের কোর্টের আদেশ অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে।”

এ সময় আমীর-উল ইসলাম বলেন, “সংবিধানে অধঃস্তন আদালতের বিষয়ে বলা আছে। এর কোনো লঙ্ঘন করা যাবে না। মাসদার হোসেন মামলার রায় অনুযায়ী পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে।”

গত ১৪ মার্চ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের বেতন ও অন্যান্য ভাতাসংক্রান্ত একটি কাঠামো আদালতে দাখিল করা হয়। পরে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির বেঞ্চ কিছু সংশোধনের কথা উল্লেখ করে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজকের দিন ধার্য করে দিয়েছিলেন।

ওই দিন আদালত চার সচিবকে সময় সাপেক্ষে আদালতে ব্যাক্তিগত হাজির হওয়া থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। প্রয়োজন হলে তাদেরকে আবারো ডাকা হবে বলেও উল্লেখ করেন আপিল বিভাগ।

আদালত আদেশে বলেন, “জেলা বিচারকদের পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হলে তাদের সিলেকশন গ্রেডে উন্নীত করতে হবে। বিচারিক ভাতা বা জুডিসিয়াল ভাতা ২০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।”

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিচারিক ভাতা বাস্তবায়ন না করায় চার সচিবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে হাজির হওয়ার জন্য রুল জারি করেছিলেন আপিল বিভাগ।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট