Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

হেফাজতের ব্যানারে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছিল বিএনপি: সৈয়দ আশরাফ

ঢাকা: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, “চারদিনের মধ্যে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করা হয়েছিল। হেফাজতের ব্যানারে বিএনপি সরকার উৎখাতের এই অপচেষ্টা করেছে।”

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপ লাউঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-পরিষদের আয়োজনে ‘রাজনৈতিক সহিংসতা  ও নৈরাজ্য’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সৈয়দ আশরাফ বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের সময়ও কয়েক লাখ রাজাকার ছিল, পাকিস্তানি সৈন্যের সংখ্যা ছিল লক্ষাধিক। তখন বাঙালি ভয় পায়নি। এখন মাত্র ৪০ হাজার হেফাজত কর্মীর ভয়ে বাংলাদেশের জনগণ দেশ ছেড়ে চলে যাবে?”

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করে সৈয়দ আশরাফ বলেন, “অতীতেও সংলাপের মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হয়েছে। এবারও হবে।”

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এমন একজন ব্যক্তি যিনি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তটা নিতে পারেন। তার মতো বিচক্ষণ ব্যক্তি দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্তটাই নেবেন। তিনি বার বার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন, তবুও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হননি।”

হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেকেই বলছেন সেখানে নাকি ১০ লাখ মানুষ হয়েছে। কেউ বলছেন ২০ লাখ। এগুলো সব আন্দাজ নির্ভর গণনা। যার চোখে যা আসছে। এধরনের সমাবেশে একজন একজন করে লোক গোনা যায় না। বৈজ্ঞানিকভাবে গণনা করলে এই সংখ্যা বের হয়ে যাবে।”

আশরাফ বলেন, “আমাদের কাছে খবর আছে ৫০ লাখ মানুষের সমাবেশ করার লক্ষ্যে ৪০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এরমধ্যে একটি পত্রিকার মালিক দিয়েছেন পাঁচ কোটি টাকা।”

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে সৈয়দ আশরাফ বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ আমাদের সরকারই নিয়েছে। এই বিচার চলছে, চলবে। কোনো শক্তি নেই এই বিচারকে বাধাগ্রস্ত করে। বাংলাদেশের মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করা হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা যখন ৯৬-তে ক্ষমতায় থাকাকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক বিদেশ সফরে থাকা অবস্থায় কিছু বিদেশি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করার জন্য আমাদের হুমকি দেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধে যত হুমকিই আসুক, সরকার তার অবস্থান থেকে সরে আসবে না।”

হরতাল বন্ধে এবং রাজনৈতিক বিষয়ে আইন ও আদালতের ভূমিকা প্রসঙ্গে সৈয়দ আশরাফ বলেন, “অনেকেই বলেছেন, হরতালে ভাংচুর বন্ধে আইন করা উচিত। আপনাদের এই দাবি আমি সরকারকে জানাবো।”

সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে সৈয়দ আশরাফ বলেন, “সমালোচনাও সহযোগিতার অংশ। আপনাদের সঙ্গে আমরা আলোচনা করতে চাই। কিন্তু আপনাদের তো পাওয়া যায় না। আপনার সারা রাত টক শো’তে ব্যস্ত থাকেন। টক’শো ভালো। এখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়। রাজনীতি, অর্থনীতি মহাশূন্য নিয়েও টক’শোতে আলোচনা হচ্ছে। কোন কৃষ্ণ গহ্বর কোন কৃষ্ণ গহ্বরকে গিলে খাচ্ছে তারও আলোচনা হয় টক’শোতে।”

এই মুহূর্তে সরকারের অনেক দায়িত্ব রয়েছে মন্তব্য করে আশরাফ বলেন, “জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ করতে ট্রাইব্যুনাল, প্রসিকিউটর ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে হবে, বিচারের রায় কার্যকর করতে হবে। অনেক কাজ রয়েছে আমাদের।”

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট