Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

হরতালে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ঢাকা: নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে টানা ৩৬ ঘণ্টা হরতালের দ্বিতীয় দিন পালন করছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। বুধবার রাজধানীতে বেশ কিছু জায়গায় বাস ও অটোরিকশা ভাঙচুর, গাড়িতে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ ও রাস্তায় পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাজপথে দাঁড়াতেই দেয়নি জোটের নেতাকর্মীদের। রাজপথে বাধা পেয়ে হরতাল সমর্থকরা রাজধানীর বিভিন্ন অলি-গলিতে মিছিল ও ভাঙচুর করেছে।

সকালে রাজধানীর কয়েক জায়গায় হরতালের সমর্থনে ঝটিকা মিছিল করে ১৮ দলের নেতা-কর্মীরা। এ সময় বিক্ষিপ্তভাবে যানবাহনে হামলা চালায় হরতাল সমর্থকরা। যাত্রাবাড়ীতে শিবিরের কর্মীরা ঝটিকা মিছিল করে রাস্তায় আগুন দেয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশের ধাওয়ায় মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। মিরপুর আনসার ক্যাম্পের সামনে মিছিল করে ছাত্রদল। সেখান থেকে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় পিকেটারা। ফকিরাপুল পানির ট্যাংকির গলিতে সাতটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় হরতালকারীরা।

আদাবর এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিল করে যুবদল। এ সময় গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা করে তারা। ফার্মগেটের তেজকুনি পাড়ায় ছাত্রদল মিছিল করে রাস্তায় পেট্রোল জ্বালিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। এছাড়া গাবতলীতে গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা করে শিবিরকর্মীরা।

এছাড়া রামপুরা, বাড্ডা, মহাখালী ও গুলশানসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিল করে ১৮ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা। ককটেল বিস্ফোরণ আর যানবাহন ভাঙচুর করে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করে পিকেটাররা। সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে হরতালের সমর্থনে মিছিল করেছে বিএনপির সংসদ সদস্যরা।

এদিকে, বুধবারও তালাবদ্ধ আছে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়। কোনো নেতাকর্মী ভেতরে যেমন প্রবেশ করেনি, একইভাবে কেউ বের হওয়ারও চেষ্টা করেননি। মঙ্গলবার কার্যালয়ে প্রবেশের সময় শামসুজ্জামান দুদুকে পুলিশ আটকের চেষ্টা করায় সেই আতঙ্কে বুধবার দুদুসহ কেউ নিচে নামেননি।

যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাস্তার মোড়ো মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পিকেটিং ঠেকাতে রাজধানীতে কাজ করছে ১০টি ভ্রাম্যমাণ আদলত।

টানা হরতালের কারণে রাজধানীতে যান চলাচল তুলনামূলকভাবে কম। দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অধিকাংশ দোকান-পাট বন্ধ রয়েছে। তবে সরকারি অফিস আদালতসহ ব্যাংক-বিমাতেও স্বাভাবিক লেনদেন হচ্ছে।

এর আগে হরতালের প্রথম দিন মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চকরিয়ায় হরতাল সমর্থকদের ধাওয়ায় চাঁদের গাড়ি উল্টে একজন নিহত হয়েছে। এছাড়া বগুড়ার মাটিডালি এলাকায় পিকেটারদের হামলায় মারা যান এক ট্রাক চালক। হরতালের প্রথম দিন নারায়ণগঞ্জের চারারগোপে হরতাল সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয় দুজন। এ সময় সাংবাদিকসহ আহত হয় অন্তত ১০ জন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট