Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

এখনই জামায়াত নিষিদ্ধ সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “উচ্চ আদালতে রিট মামলা থাকা অবস্থায় জামায়াত নিষিদ্ধের বিষয়ে সরকারের পক্ষে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয়। বিচারাধীন এ রিটের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাহী আদেশেও এ বিষয়ে কিছু করা যাবে না।”

একই সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের ৬ এপ্রিলের লংমার্চকে ঘিরে জামায়াত-শিবির যাতে কোনো রকম নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে ওলামা-মাশায়েখদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে  প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ করা সবারই গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু এর সুযোগ নিয়ে যে কোন ধরনের অঘটন ঘটানোর চেষ্টা হতেহ পারে। এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।”

বৃহস্পতিবার গণভবনে কওমি মাদ্রাসার শীর্ষস্থানীয় আলেমরা সাক্ষাৎ করতে এলে শেখ হাসিনা বলেন, “ধর্ম ও মহানবীর (সা.) অবমাননা ও কোনো রকম কটূক্তি কিংবা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া সরকার কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। ইতিমধ্যে সরকার এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপও নিয়েছে। এ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনের মাধ্যমেই কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

জামায়াত নিষিদ্ধের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিট মামলা রয়েছে। রিট থাকা অবস্থায় এ বিষয়ে আমরা কোনো কথা বলতে পারি না। তাহলে আদালত অবমাননা হতে পারে। তাছাড়া রিট থাকা অবস্থায় নির্বাহী আদেশেও এ বিষয়ে কিছু করা সম্ভবও নয়। এটাও বাস্তব।”

৬ এপ্রিল হেফাজতে ইসলামের লংমার্চের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এর সুযোগ নিয়ে যেকোনো ধরনের অঘটন ঘটানোর চেষ্টা হতে পারে। কারণ তারাও (জামায়াত) আপনারা জামায়াতবিরোধী এবং মওদুদীর বইপত্র নিষিদ্ধ চান। তাই তারা সুযোগ নিয়ে অঘটন ঘটানোর চেষ্টা করবে- এটাই স্বাভাবিক। এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে।”

গোপালগঞ্জের গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা রুহুল আমীনের নেতৃত্বে শতাধিক আলেম-ওলামার প্রতিনিধিদলটি গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যায়। এ সময় তারা সাত দফা দাবি তুলে ধরেন।

হেফাজতে ইসলামীর লংমার্চ কর্মসূচি শুরুর একদিন আগে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেও প্রতিনিধিদলের নেতারা বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছেন, তারা যেসব দাবি জানিয়েছেন, সেগুলো হেফাজতে ইসলামেরও দাবি। হেফাজতের দাবিগুলোর প্রতি তাদের সমর্থন রয়েছে। তবে লংমার্চকে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন- এটি মনে করার কোনো কারণ নেই। গওহরডাঙ্গার সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তারা দেখা করতে এসেছেন।

তাদের দাবিগুলো হলো- ইসলাম ‘অবমাননাকারী’ চিহ্ণিত বাকি ব্লগারদের গ্রেফতার, তাদের সব ব্লগ ও ফেইসবুক বন্ধ, ইসলাম ও মহানবীর (সা.) মর্যাদা রক্ষায় সংসদের আগামী অধিবেশনে আইন প্রণয়ন, কওমি মাদ্রাসা সনদের সরকারি স্বীকৃতি, জামায়াত নিষিদ্ধসহ তাদের মতাদর্শিক গুরু আবুল আলা মওদুদীর সব বই বাজেয়াপ্ত, আহমদিয়াদের অমুসলিম ঘোষণা এবং পাঠ্যবইয়ে ধর্ম সম্পর্কিত ভুলগুলো  সংশোধন।

আলেম-ওলামাদের কয়েকজন প্রতিনিধিও সভায় বক্তব্য রাখেন। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু ও আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট