Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

দেশে ফিরলেন মুশফিকরা, সামনে এবার হারারে চ্যালেঞ্জ

নিজ মাটিতে বাংলাদেশকে তিন ফরমেটে হোয়াইটওয়াশ করতে না পারাটা শ্রীলঙ্কার ব্যর্থতা- সিরিজ শেষে লঙ্কান দলের নৈপুণ্য পর্যালোচনায় বিশ্লেষকের মোদ্দাকথা এটি। দারুণ ড্রসহ দুই টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের হার ১-০তে। এক ম্যাচ বৃষ্টিতে পণ্ড নিয়ে ওয়ানডে সিরিজে ১-১। আর একমাত্র টি-টোয়েন্টি হারলেও সাফল্যের খোঁজে সেদিন বাংলাদেশের জবাবটা মোটাসোটা ১৮১ রানের। ১৩ বছরের টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে সফল সফর শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। শ্রীলঙ্কায় দ্বিপক্ষীয় পূর্ণাঙ্গ সিরিজ শেষে মুশফিক বাহিনী ঢাকায় ফেরে গতকাল। সফরে পরিতৃপ্ত সঙ্গীদের নিয়ে বিমানবন্দর ছাড়ার আগে অধিনায়ক মুশফিকুর রহীমের কণ্ঠেও শোনালো সন্তুষ্টি ও আশাবাদ। বললেন, বাংলাদেশ দলে পারফরমারের সংখ্যা বাড়ছে। এ ধারায় ভবিষ্যতে আরও ভাল করতে চাইবো আমরা। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির ভিন্ন সিরিজে শ্রীলঙ্কা সফরে ব্যক্তিগত ঝলকের সঙ্গে বাংলাদেশ দলের নৈপুণ্যে সম্মিলিত চেহারাটা নজরে এসেছে বিশ্লেষকদেরও। সদ্য সিরিজ পর্যালোচনায় দলে ব্যক্তি নির্ভর ক্রিকেট নিয়ে এতে আলাদা সতর্কতা শুনছে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে শ্রীলঙ্কার রানে প্রধান নামটি কুমার সাঙ্গাকারার। আর ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার সব রান বলতে গেলে তিলকারত্নে দিলশানের। এ সফরে মুশফিকের ব্যাটে বাংলাদেশ পেলো প্রথম ব্যক্তিগত টেস্ট দ্বিশতক। দারুণ ব্যাটিংয়ে ডবল সেঞ্চুরির আশপাশে গল টেস্টে নিজেকে ফিরে পান  আশরাফুল। টেস্ট, ওয়ানডে উভয় ঘরানায়  আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন নাসির। তরুণ এনামুল-মমিনুলের ব্যাটও ছিল ঠিক ঠিক। ম্যাচে পাঁচ উইকেট অর্জনসহ নৈপুণ্যে ছিলেন আবদুর রাজ্জাক-সোহাগ গাজীরা। এতে আত্মবিশ্বাস বাংলাদেশ অধিনায়কেরও। বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পারফর্ম করেই দলে ঢুকেছিল এনামুল-মমিনুল। এবারও তাদের পারফরমেন্স ঠিক পথেই ছিল। তরুণরা নৈপুণ্যে থাকলে নিজ নিজ দায়িত্ব নেয়া সহজ হয় বাকিদেরও।’ সদ্য সিরিজে বাংলাদেশ দলের উজ্জ্বল নৈপুণ্যে আলাদা মালিন্য দেখা গেছে পেস বল হাতে। বিষয়টি ভেবেছেন বাংলাদেশ অধিনায়কও। মুশফিক বলেন, আসলে পেস বোলিংটা আমাদের ভাল হয়নি। তবে এটাও ঠিক, ইনজুরিতে দলের শীর্ষ বোলারদের দেশে রেখে শ্রীলঙ্কায় যেতে হয়েছে আমাদের। লঙ্কান মাটিতে অন্যবারের নাস্তানাবুদ স্মৃতি নিয়ে এবার শ্রীলঙ্কা সফর করছিল খর্ব শক্তির বাংলাদেশ। তবে মুশফিক বললেন, নৈপুণ্যে স্বাগতিকদের চমকে দেয়ার নেপথ্য কারণও ওটাই।  বলেন, সফরের আগে ইনজুরির কারণে বাংলাদেশ দলে অদল বদল হচ্ছিল বারবার। পূর্ণশক্তির দল না পেয়ে সফরে নৈপুণ্য দেখানোর আলাদা জেদ ছিল আমাদের। আর সুযোগ কাজে লাগানোর জেদ ছিল দলে পরিবর্তিত খেলোয়াড়দেরও। মোহাম্মদ আশরাফুল ফর্মে ফেরায় স্বস্তি দেখালেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। বলেন, এমন সামর্থ্য তার (আশরাফুল) পুরনোই। তার কাছ থেকে এমন কিছুই চায় দল।  সফরে পৃথক চাপে ছিলেন তিনি। গল-এরটি আমার দেখা তার সেরা ইনিংস। অবশ্য বাংলাদেশ অধিনায়কের নজর ইতিমধ্যে হারারের দিকে।  জিম্বাবুয়ে সফরকে সামনে রেখে মুশফিক বলেন, হারারেতে আমাদের রেকর্ড ভাল নয়। এবারের সফরে রেকর্ড বদলাতে চাই। শ্রীলঙ্কা সফরের নৈপুণ্য ধারাবাহিক রাখতে চাই জিম্বাবুয়েতেও। এটা আমাদের চ্যালেঞ্জ।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট