Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone
শেখ হাসিনা
আসুন আমরা এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করি
খালেদা জিয়া
আমি বিশ্বাস করি ধর্য ছাড়া রাজনিতি সম্ভব নয়
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আব্দুল জলিল আর নেই। আজ বিকালে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান (ইন্নালিল্লাহি…..রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। গত ২৬শে ফেব্রুয়ারি হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয় আবদুল জলিলকে। কিন্তু উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগের কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। গত সোমবার বাইপাস সার্জারির পর তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এই প্রবীণ রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন স্পিকার আব্দুল হামিদ। রাজনীতির পাশাপাশি তার আরেকটি পরিচয় রয়েছে। তিনি মার্কেন্টাইল ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০০২ সালের ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ১৯তম কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান জলিল। তার আগে আওয়ামী লীগের বিগত সরকাওে টেকনোক্র্যাট কোটায় বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। বিগত সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার হওয়ার পর একটি চিঠিতে রাজনীতি ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মুক্তি পাওয়ার পর তাকে আর দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব ফিরিয়ে দেয়া হয়নি। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আব্দুল জলিল ১৯৪১ সালের ২১ জানুয়ারি নওগাঁয় জন্ম গ্রহণ করেন। শিক্ষা জীবনের আব্দুল জলিল নওগাঁ কে. ডি. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে ভর্তি হন রাজশাহী কলেজে। সেখানে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ১৯৬৩ সালে, তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) সম্পন্ন করেন এবং ১৯৬৪ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করার জন্য লন্ডনে যান। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।