Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone
শেখ হাসিনা
আসুন আমরা এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করি
খালেদা জিয়া
আমি বিশ্বাস করি ধর্য ছাড়া রাজনিতি সম্ভব নয়
স্টাফ রিপোর্টার: প্রায় ৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশ সার্জেন্ট আজহার আলীর বিরুদ্ধে শিগগিরই মামলা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতিমধ্যেই মামলা দায়েরের বিষয়টি অনুমোদন করেছে কমিশন। দুদক সূত্র জানায়, সার্জেন্ট আজহার ১৯৯০ সাল থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)’র বিভিন্ন পয়েন্টে সার্জেন্টের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। চাকরি জীবনে তাকে ৬ বার ঢাকার বাইরে বদলির আদেশ দেয়া হয়েছিল। আদেশের কপি হাতে পাওয়ার আগেই তিনি অসুস্থতা দেখিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন। এ কৌশলের মাধ্যমে বারবার তিনি বদলি ঠেকিয়েছেন। সর্বশেষ বছর দু’য়েক আগে তাকে সিলেটে বদলি করা হয়। এবারও তিনি বদলি ঠেকানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা চালান। বদলি ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে তিনি আর্ন লিভ (অর্জিত ছুটি)তে চলে যান। গত বছরের শুরু থেকে তার অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে দুদক। মে মাসের প্রথমদিকে আজহারের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেয় দুদক। তিনি ১৫ই মে দুদক সচিব বরাবর তার সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করেন। তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজধানীর অভিজাত এলাকা ধানমন্ডিতে রয়েছে ৪ কাঠা জমির ওপর একটি ৭ তলাবিশিষ্ট ভবন। এর ক্রয় ও নির্মাণ মূল্য দেখানো হয়েছে ৭০ লাখ টাকা। একই এলাকার ৮/এ নম্বর রোডের ৮/১ নম্বর বাড়িতে তার রয়েছে ২০০০ বর্গ ফুটের ১টি ফ্ল্যাট। এ ফ্ল্যাটের মূল্য দেখানো হয়েছে ১০ লাখ টাকা। গুলশানে রয়েছে ৩০০০ বর্গফুটের আরেকটি ফ্ল্যাট। এর ঠিকানা- অ্যাপার্টমেন্ট নম্বর বি-১১, প্লট নম্বর-৬, ব্লক-সি এবং রোড নম্বর-৩৩। এ ফ্ল্যাটটির ক্রয় মূল্য দেখানো হয়েছে ২০ লাখ টাকা। তাছাড়া নিজ এবং পরিবারের নামে রয়েছে দু’টি মাইক্রোবাস। মাইক্রোবাস দু’টির ক্রয় মূল্য দেখানো হয়েছে ২০ লাখ টাকা। আজহারের ব্যাংক হিসাবে নগদ জমা দেখানো হয়েছে ৪ লাখ টাকা। ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আজহারের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সুপারিশ করে গত সেপ্টেম্বর মাসে দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করেন। দুদকের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মোনায়েম হোসেন জানান, বেশ কিছুদিন আগে কমিশনে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। শুনেছি মামলা দায়েরের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত কোন আদেশ এখনও আমার হাতে আসেনি। আদেশ পেলেই মামলা করবো। তিনি আরও জানান, আজহার অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির লোক। অবৈধভাবে তিনি অনেক টাকার মালিক হয়েছেন। বেশির ভাগ সম্পত্তি নিজের নামে করেছেন। স্ত্রী শাহনাজ পারভীন এবং ৪ ছেলের নামে তিনি তেমন কোন সম্পদ করেননি।