Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ, তৈমূরসহ আহত ১৫

হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে।  এতে জেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে নগরের ২নং রেলগেট এলাকায় বিএনপি নেতারা মিছিল বের করলে পুলিশের সঙ্গে এ সংঘর্ষ বাধে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপির ডাকে হরতালের সর্মথনে মঙ্গলবার সকালে নগরের দিগুবাবুর বাজারের সামনে থেকে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও এটিএম কামালের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরের ২নং রেলগেট এলাকায় যাওয়ার সময় পুলিশ বাধা দিয়ে ব্যানার কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করলে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশের লাঠিচার্জে তৈমূর আলম খন্দকার, এটিএম কামালসহ পাঁচ জন আহত হন। এক পর্যায়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে নেতাকর্মীরা নগরের ডিআইটি এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে নিচে অবস্থান নেয়। সেখানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ নেতাকর্মীদের ঘিরে রাখে।

এদিকে নগরের গলাচিপা এলাকায় বিএনপি নেতাদের একটি মিছিল এলে সেখানে পুলিশ বাধা দেয়। ওই সময়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশকে লক্ষ্য করে বিএনপির পিকেটাররা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। এক পর্যায়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি করে।

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মাছরাঙা টিভির ক্যামেরাম্যান রুবেল, যুবদল নেতা রানা মুজিব, শাহীন, আলামিন, শহীদ, রুহুল আমিন, রিটন দে, ছাত্রদল নেতা রশো, শাহেদসহ ১০ জন আহত হয়।

অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার জানান, পুলিশ এহেতুর আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাধা দিয়ে আক্রমণ করেছে। পুলিশ আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করছে। পুলিশের লাঠিচার্জে ১৫ জন আহত হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি এসএম মঞ্জুর কাদের জানান, পুলিশ জনগণের জানমাল রক্ষার্থে যা করণীয় তাই করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রায় ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এদিকে রূপগঞ্জের এশিয়ান হাইওয়ে (বাইপাস) সড়কের গাবতলী এলাকায় টায়ারে আগুন হরতাল দেয় সমর্থকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে হরতাল সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

পিকেটাররা উপজেলার কাঞ্চন এলাকায় কয়েকটি স্থানে পিকেটাররা টায়ারে আগুন দিয়ে হরতাল পালন করেছে। এছাড়া রূপগঞ্জে বরাব এলাকায় সকাল সাড়ে চয়টায় একটি যাত্রীবাহী বাসের কাচ ভাঙচুর করে হরতাল সমর্থকরা।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট