Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সাঈদীর ফাঁসির রায়

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। অভিযোগ ৮ ও ১০ নম্বও অভিযোগে তাকে ফাঁসির রায় দেয়া হয়েছে। এর আগে বেলা সকাল সোয়া ১১টায় বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা শুরু করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন এবং বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হক। সকাল পৌনে ১০টায় সাঈদীকে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে নেয়া হয়। সকাল ১১টার দিকে তাকে ট্রাইব্যুনাল-১ এর কাঠগড়ায় তোলা হয়। সোয়া ১১টার দিকে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। ১২০ পৃষ্টার রায়ের সংক্ষিপ্ত সারের প্রথম অংশ পড়েন বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হক। এর আগে সূচনা বক্তব্যে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান ফজলে কবীর বলেন- রায় ঘোষণার আগে আমরা কিছু কথা বলতে চাই। তিনি বলেন, আসামি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী গোটা বাংলাদেশে সুপরিচিত। তার বর্তমান নাম আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। তিনি প্রখ্যাত মাওলানা এবং দুই বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার রাজনৈতিক পরিচয় তিনি জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর। তবে আমরা কি আজ সেই প্রখ্যাত মাওলানার বিচার করছি? না। আমরা কি জামায়াতের নায়েবে আমীরের বিচার করছি? না। আমরা কি সংসদ সদস্যের বিচার করছি? না।
বিচারপতি বলেন, আসুন আমরা চলে যাই ৪০ বছর আগে। তখন তিনি ৩০ বছরের যুবক ছিলেন। পিরোজপুরে সাউথখালী গ্রামের বাসিন্দা। বিবাহিত জীবন ছিলো তার। এবং এক সন্তানের পিতা ছিলেন তিনি। তখন তিনি সাধারণ একজন মানুষ। কোন ধর্মীয় নেতা ছিলেন না। পিরোজপুরের অনেক মানুষ তাকে চিনতেন। দেলু নামে ডাকতেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তখন তিনি পাড়েরহাট এলাকার পিস কমিটির সাধারণ সদস্য ছিলেন। কোন কমান্ডার নয়। তবে উর্দুতে ভালো কথা বলতেন তাই হানাদার বাহিনীর সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠে। এ কারণে প্রত্যেক অপারেশনেই তিনি অংশ নিতেন।
ফজলে কবীর বলেন, দেলুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ২০টি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। যার মধ্যে হত্যা-অপহরণ-ধর্ষণ লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্মান্তর করা, নির্যাতন রয়েছে। সেই ৩০ বছর বয়সী দেলুর বিচার করতেই আমরা এখানে এসেছি। আমাদের মনে রাখতে হচ্ছে সেই সময়ে তিনি কী করেছেন তারই বিচার হচ্ছে। এতে রাষ্ট্রপক্ষের ২৮ জন ও আসামি পক্ষের ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। তারা সবাই গ্রামের সাধারণ মানুষ। তাদের বক্তব্যের ওপরই আমরা এই বিচার পরিচালনা করেছি। এবং এর ভিত্তিতেই এই রায় দিচ্ছি।
এদিতে রায় ঘোষণাকে ঘিরে পুরো এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের বাইরে সকাল থেকে রায়ের অপেক্ষায় আছেন মুক্তিযোদ্ধারা।
মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাটি গত ২৯শে জানুয়ারি শুনানি শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনাল গতকাল এক আদেশে আজ এ মামলায় রায়ের কথা জানায়। সরকারপক্ষ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাওলানা সাঈদীর সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
আগে গত বছরের ৬ই ডিসেম্বর সাঈদীর মামলাটি শুনানি শেষে একবার রায়ের জন্য অপেক্ষায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু স্কাইপ বিতর্কে বিচারপতি মো. নিজামুল হক ট্রাইব্যুনাল থেকে পদত্যাগ করলে বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরকে ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরে এ মামলায় যুক্তিতর্ক নতুন করে শোনা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর আগে মাওলানা আবুল কালাম আযাদ এবং আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছে। রায়ে পলাতক আযাদকে মৃত্যুদণ্ড এবং কারাবন্দি কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। ৫ই ফেব্রুয়ারি কাদের মোল্লার রায়ের প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগ স্কয়ারে অনলাইন অ্যাকটিভিস্টদের নেতৃত্বে নেমে আসে নানা শ্রেণী ও পেশার মানুষ। তাদের প্রতিবাদ এখনও অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি ভিন্ন অন্য কোন রায় মেনে নেয়া হবে না বলে এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ। অন্যদিকে, সাঈদীর কোন ধরনের সাজা মেনে না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত-শিবির।
তারা বৃহস্পতিবার হরতাল পালন করছে।
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মামলায় গ্রেপ্তার: বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীর দায়ের করা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে একটি মামলায় মাওলানা সাঈদীকে ২০১০ সালের ২৯শে জুন গ্রেপ্তার করা হয়। ওই বছরের ২রা আগস্ট তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত বছরের ১১ই জুলাই সাঈদীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। ১৪ই জুলাই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগের বিষয়ে শুনানি শেষে ৩রা অক্টোবর সাঈদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। সাঈদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনকালে মুক্তিযুদ্ধকালে পিরোজপুর জেলায় হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ এবং এ ধরনের অপরাধে সাহায্য করা ও জড়িত থাকার ঘটনায় ২০টি অভিযোগ আনা হয়। গত বছরের ২০ ও ২১শে নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উত্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু ও প্রসিকিউটর সৈয়দ রেজাউর রহমান।
সাঈদীর বিরুদ্ধে যত অভিযোগ: মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিন হাজারেরও বেশি নিরস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যা বা হত্যায় সহযোগিতা, নয়জনেরও বেশি নারীকে ধর্ষণ, বিভিন্ন বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট, ভাঙচুর এবং ১০০ থেকে ১৫০ হিন্দুকে ধর্মান্তরে বাধ্য করার ২০টি ঘটনার অভিযোগ আনা হয় সাঈদীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ করা হয়েছে, সাঈদী আরবি ও উর্দু ভাষায় পারদর্শী এবং বাকপটু। এটাকে ব্যবহার করে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে তিনি সখ্য এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন এজাজের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করেন। এ কারণে তিনি রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার হতে সক্ষম হন। তার নেতৃত্বে ও সহযোগিতায় পিরোজপুরের পারেরহাট বন্দরসহ বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানি ও রাজাকার বাহিনী হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ, লুট, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত করে। অভিযোগগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, সাঈদী মুক্তিযুদ্ধকালে পাড়েরহাট বন্দরের বিপদ সাহার মেয়ে ভানু সাহাকে নিয়মিত যৌন নির্যাতন করতেন। বিপদ সাহার বাড়িতেই আটকে রেখে অন্যান্য রাজাকারসহ ভানু সাহাকে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়। একসময় ভানু সাহা দেশ ত্যাগে বাধ্য হন। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে সাঈদীর নেতৃত্বে একদল রাজাকার পিরোজপুরের হুগলাবুনিয়া গ্রামে হানা দেয়। রাজাকারদের আগমন দেখে গ্রামের বেশির ভাগ হিন্দু নারী পালিয়ে যান। কিন্তু মধুসূদন ঘরামীর স্ত্রী শেফালী ঘরামী ঘর থেকে বের হতে পারেননি। তখন সাঈদীর নেতৃত্বে রাজাকাররা তাকে ধর্ষণ করেন। এর ফলে মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে তিনি একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন। এ নিয়ে গ্রামে বিভিন্ন কথা ওঠায় শেফালী ঘরামী দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যেতে বাধ্য হন।  সাঈদীর নেতৃত্বে রাজাকার বাহিনী হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন চালাতো। তাদের বাড়িঘর লুট করাসহ আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিতো। পরে লোকজন সর্বস্ব হারিয়ে ভারতের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন। আর যারা যেতে পারেননি তাদের সাঈদী ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করেন। তাদের নিয়ে তিনি মসজিদে নামাজ পড়তেন। তাদের মুসলমান নামও দেন তিনি। এছাড়া অভিযোগ করা হয়েছে, পিরোজপুরেই জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ ও মুহাম্মদ জাফর ইকবালের পিতা পুলিশ কর্মকর্তা ফয়জুর রহমানকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী রাজাকারদের সহায়তায় হত্যা করে। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, সাঈদীর আসল নাম দেলোয়ার হোসেন শিকদার। একাত্তরে তিনি পিরোজপুরে এ নামেই পরিচিত ছিলেন। লোকে তাকে ‘দেইলা রাজাকার’ নামেও চিনতেন। স্বাধীনতার পর তিনি নিজের অপরাধকে আড়াল করার জন্য বোরকা পরে গরুর গাড়িতে চড়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে অস্ত্রসহ যশোরের মো. রওশন আলীর বাড়িতে আত্মগোপন করেন। অনেকদিন পর তার অপরাধের কাহিনী জানাজানি হলে তিনি পরিবার নিয়ে অন্যত্র চলে যান। এরপর ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপন অবস্থা থেকে বের হয়ে আসেন এবং ভুয়া মাওলানা পরিচয়ে ওয়াজ মাহফিল শুরু করেন। নিজের নাম পাল্টে করেন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। এভাবেই তিনি আল্লামা মাওলানার পরিচয়ে নিজের অপরাধ ঢাকার চেষ্টা করেন।
সাঈদী যা বলেছিলেন: গত ২৯শে জানুয়ারি শুনানির শেষ দিনে ট্রাইব্যুনালে বক্তব্য রেখেছিলেন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। সেদিন তিনি বলেছিলেন, আমি কোরানের সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি, এটাই কি আমার অপরাধ? এটা যদি আমার অপরাধ হয়ে থাকে তাহলে এ অপরাধে অপরাধী হয়ে হাজার বার ফাঁসির মঞ্চে যেতে রাজি আছি। বিচারপতি নিজামুল হক বিচারে ভ্রষ্ট পথ অনুসরণ করেছিলেন বিধায় এক রাশ গ্লানি নিয়ে তাকে সরে পড়তে হয়েছে। আজ সেই চেয়ারে আপনি (বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীর) সম্মানিত চেয়ারম্যান। এটাই আল্লাহর বিচার। আমার বিরুদ্ধে আনীত ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং শতাব্দীর জঘন্য ও নিকৃষ্টতম মিথ্যাচার। আল্লাহর কসম! আমার বিরুদ্ধে রচনা করা চার সহস্রাধিক পৃষ্ঠার প্রতিটি পাতার প্রতিটি লাইন, প্রতিটি শব্দ, প্রত্যেকটি বর্ণ মিথ্যা, মিথ্যা এবং মিথ্যা। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে কোন এক দেলোয়ার শিকদারের করা অপরাধ সমূহ আমার ওপর চাপিয়ে দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউশন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যার পাহাড় রচনা করেছেন। আজ আমি আল্লাহর নামে শপথ নিয়ে আপনাদের সামনে বলতে চাই, সরকার ও তার রাষ্ট্রযন্ত্র কর্তৃক চিত্রিত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত অপরাধের হত্যাকারী, লুণ্ঠন, গণহত্যাকারী, ধর্ষক, অগ্নি সংযোগকারী, দেলোয়ার শিকদার বা ‘দেলু’ বা দেইল্যা রাজাকার আমি নই। আমি ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রিয় জন্মভূমি এই বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের নিকট চিরচেনা পবিত্র কোরানের একজন তাফসিরকারক, কোরআনের পথে মানুষকে আহ্বানকারী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এই ৪২ বছরের মধ্যে আমার বিরুদ্ধে কোন বিষয়েই কোন মামলা ছিল না। সামান্য একটি জিডি-ও ছিল না। গণতন্ত্রের লেবাসধারী বর্তমান এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাদের বদান্যতায়, মহানুভবতায় মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে আজ আমি ১৭টি মামলার আসামি। সেই জুন ২০১০ থেকে অদ্যাবধি কথিত মানবতাবিরোধী ২০টি অপরাধের অভিযোগসহ ১৭টি মামলা আমার বিরুদ্ধে দায়ের করে এবং বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে সরকার আমাকে তাদের এক রাজনৈতিক তামাশার পাত্রে পরিণত করেছে, যা আজ দেশবাসীর কাছে মেঘমুক্ত আকাশে দ্বিপ্রহরের সূর্যের মতোই স্পষ্ট। তদন্ত কর্মকর্তা এবং সহযোগীরা তাদের তৈরী অভিযোগগুলো প্রমাণের জন্য কয়েকজন বিতর্কিত চরিত্র ব্যতিত সাক্ষী প্রদানের জন্য কাউকেই হাজির করতে পারেননি। তারপরও প্রচণ্ড ক্ষিপ্রতার সঙ্গে এই ট্রাইব্যুনালের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিচার প্রক্রিয়ার সমাপ্তি টেনেছেন। এই ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৃত বিবেচনায় আমার বিরুদ্ধে পরিচালিত মামলার রায় প্রকাশ করে গেছেন। স্কাইপ কথোপকথনে তার ভাষায়- ‘সাঈদীর কেইসটা ডিফারেন্ট। এই সাঈদীর কেইসটার লগে আইনের সম্পর্ক খুব বেশি না। এডা আমাদের দেশী দরবারের মতোই। সাঈদী বলেন, ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যানের প্রকাশিত এই মতামত বা মন্তব্যের পর এই মামলা চলার নৈতিক অবস্থান কোথায় থাকে? – See more at: http://www.mzamin.com/details.php?nid=NDQ0Nzg=&ty=MA==&s=MzY=&c=MQ==#sthash.RBc45Ca9.dpuf
Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট