Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

কাদের সিদ্দিকীকে ধিক্কার লতিফ সিদ্দিকীর

‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে রাজাকারদের কমান্ডার’ বলে মন্তব্য করায় বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর প্রতি এবার ধিক্কার জানিয়েছেন তারই বড় ভাই পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। তিনি বলেছেন, তরুণ প্রজন্ম তাকে (কাদের সিদ্দিকী) নব্য রাজাকার বলায় তিনি এখন বেসামাল। তিনি মধ্যরাতে দিগন্ত টিভিতে টকশোতে অংশ নেন ও নয়াদিগন্তে কলাম লিখে যুবসমাজ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। তাই আমিও তাকে প্রত্যাখ্যান করছি। ধিক! তাকে ধিক! একাত্তরে তার ভাই ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি বঙ্গবন্ধুর চতুর্থ সন্তান। সংসদে প্রেসিডেন্টের ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। কাদের সিদ্দিকীর উদ্দেশ্যে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ৭১ এ তুমি যুদ্ধে অংশ নিয়েছো তা তোমার নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য! বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে নয়। ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর তুমি যে অস্ত্র ধরে ছিলে তা এ হত্যার প্রতিশোধ নিতে নয়। তোমার জীবন বাঁচাতে। তাই আমি তোমার বর্তমান ভূমিকাকে ধিক্কার জানাই। উল্লেখ্য, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে স্থাপিত গণজাগরণ মঞ্চ থেকে সম্প্রতি কাদের সিদ্দিকীকে ‘নব্য রাজাকার’ বলে আখ্যায়িত করে তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন এসেছিল। সে সূত্র ধরে শনিবার কাদের সিদ্দিকী তার এক বক্তব্যে বলেন, আমি রাজাকার হলে বঙ্গবন্ধু রাজাকারদের কমান্ডার। লতিফ সিদ্দিকীর বক্তব্য শেষে ডেপুটি স্পিকার বলেন, মাননীয় সদস্য ইতোপূবে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী যে বক্তব্য দিয়েছেন সেখানে কার্যপ্রণালী বিধি বহির্ভূত কোন বক্তব্য থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে।
এদিকে আলোচনায় অংশ নিয়ে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার সিঙ্গাপুর ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। দেশে যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য নতুন প্রজন্ম জেগে উঠেছে তখন তিনি চিকিৎসার অজুহাতে সিঙ্গাপুর গিয়েছেন। সেখানে ষড়যন্ত্রে যোগ দেয়ার জন্য আরও অনেকেই গেছেন। তিনি বলেন, ৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার জন্য যেসব পত্রিকা ষড়যন্ত্র করেছিল তারাও সিঙ্গাপুর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত। এ সম্পর্কে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের মাস, বাঙালির জাতিসত্ত্বা ও স্বাতন্ত্র্য বিকাশের মাস। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি তরুণ সমাজের ঘোষিত সেই স্বাতন্ত্র্যের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি সরকার খড়গহস্ত হয়েছিল। সেই অবস্থা ২০১৩ সালে আবার শুরু হয়েছে। আজ মিথ্যাকে সত্যে রূপ দেয়ার প্রচারণা চলছে, প্রতারণা চলছে। সেই প্রতারণার হাতিয়ার হল ইনকিলাব, আমারদেশ ও নয়াদিগন্ত। তিনি বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে বিগত ৪ বছর ধরে টকশোতে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি উস্কানি দিয়েছে। জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। ওই টক শো দেখলে মনে হয় না বাংলাদেশে কোন সরকার আছে। মনে হয় না চার বছরে বিপুল পরিমান বিদেশি মুদ্রা আয় হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে রেমিটেন্স ১২ হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেছে। মনে হয় না ৩১০০ মেগাওয়াট থেকে বিদ্যুতের উৎপাদন সাড়ে ৬ হাজার মেগাওয়াট হয়েছে। মনে হয় না সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন বেড়েছে। মনে হয় না ২৮ বছরের লোকসানি প্রতিষ্ঠান পাটকলগুলো লাভজনক হয়েছে। ২৭টি বন্ধ পাটকল চালু হয়েছে। এ কিসের আলামত?

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট