Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

মহাসমাবেশে কর্মসূচি ঘোষণা : শুক্রবার বিশেষ দোয়া, সংহতি সমাবেশ

ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি : রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরে পর্যায়ক্রমে সংহতি সমাবেশ, ছয়দফা দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চলবে দেশে ও দেশের বাইরে। শুক্রবার মসজিদে শহীদদের উদ্দেশে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত গণস্বাক্ষর কর্মসূচি, পয়লা মার্চ থেকে বিভাগীয় শহরে সংহতি সমাবেশ, ২৩ ফেব্রুয়ারি রায়ের বাজার বধ্যভূমি, ২৭ ফেব্রুয়ারি মতিঝিলে, ৩ মার্চ বাহাদুর শাহ পার্কে, ৫ মার্চ যাত্রাবাড়িতে সংহতি সমাবেশ। ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট-এর আহবায়ক ড. ইমরান মহাসমাবেশে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এছাড়াও ট্রাইব্যুনাল যে কোন রায় ঘোষণার আগের দিন শাহবাগ স্কয়ারে প্রজন্ম সমাবেশ অনুষ্টিত হবে। এর আগে বিকেলে গণজাগরণ চত্বরে মহাসমাবেশ উপলক্ষে জনতার ঢল নামে। বেলা ৩টার আগেই কানায় কানায় ভরে উঠে শাহবাগ স্কয়ার। মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসা মানুষের ঢল শাহবাগের পশ্চিমে কাঁটাবন, পূর্বে রমনার ফটক, উত্তরে রূপসী বাংলা হোটেল ও দক্ষিণে টিএসসি ছাড়িয়ে যায়।
সমবেত প্রায় সবার কণ্ঠেই নানা স্লোগান। বিকেল চারটায় মূল সমাবেশ শুরু হয়। মাওলানা মেহেদি হাসানের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় সমাবেশের কার্যক্রম। একেএকে গীতা পাঠ করেন সাধন চক্রবর্তী, ত্রিপিটক পাঠ করেন অধ্যাপক বিমান বড়ুয়া। তারপর বাইবেল পাঠ করেন মাইকেল এইচ শাহ। লাখো মানুষের এই সমাবেশে ধর্মীয় বাণীর পর জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়, যাতে দাঁড়িয়ে কণ্ঠ  মেলায় গোটা সমাবেশ। এরপরই গাওয়া হয় একুশের গান ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…’।
সমাবেশে একের পর এক ছাত্র নেতারা বক্তব্য রাখেন। ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি এস এম শুভ বলেন, ধর্মকে পুঁজি করে বিশাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি করে জঙ্গি নেটওয়ার্ক চালাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।
ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমের অপপ্রচারের সমালোচনা করে বলেন, এখনও সময় আছে পালানোর পথ পাবেন না।
মহাসমাবেশ উপলক্ষে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা রয়েছে শাহবাগে। মহাসমাবেশের চার প্রবেশস্থলে পুলিশের কড়া নজরদারি চলছে। মূল প্রবেশস্থল হোটেল রূপসী বাংলা দিয়ে যারা আসছেন তাদের র‌্যাবের আর্চওয়ে পার হয়ে ঢুকতে হচ্ছে। রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার জানান, গণজাগরণ সমাবেশের চারটি প্রবেশ পথে নিরাপত্তা ব্যুহ গড়ে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি ভেতরে সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে গণজাগরণ সমাবেশ। মহাসমাবেশের ভেতরে গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনেরও পর্যবেক্ষণ রয়েছে।