Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

১৮ দল আরও শক্তিশালী হবে

বিরোধী জোট ভেঙে যাওয়ার খবর ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, আন্দোলনের জন্য ১৮ দলীয় জোট গঠন করা হয়েছিল। এই জোট ভাঙেনি। জোট শুধু অটুট নয়, জোটে আরও গণতন্ত্রকামী দল আসবে, বৃহৎ এবং শক্তিশালী হবে। জনগণের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সরকারের পতন ঘটানো হবে। বিকালে রাজধানীর ভাসানী ভবন মিলনায়তনে ১৭ই ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ সমাবেশের প্রস্তুতি হিসেবে ঢাকা মহানগর বিএনপি আয়োজিত যৌথ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। মির্জা আলমগীর বলেন, গত কয়েকদিনে পুলিশের হিংস্রতা দেখে মনে হয়েছে, লেবানন না প্যালেস্টাইন  দেখছি। ভয় দেখানোর জন্য তারা ত্রাস সৃষ্টি করছে, যাতে জনগণ প্রতিবাদ করতে না পারে। সরকারকে বলতে চাই, এসব করে লাভ নেই। নির্দলীয় সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন দিতে হবে। অন্য কোনভাবে নির্বাচন করা হলে তা জনগণ মেনে নেবে না, গ্রহণও করবে না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মুখরোচক কথা বলে তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ। জনগণ এই সরকার আর চায় না। বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সরকার তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে ভয় পাচ্ছে। তাই আদালতের একটি রায়ের দোহাই দিয়ে সংবিধান সংশোধন করে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চাইছে। তিনি বলেন, বিএনপির দিকে জনগণ তাকিয়ে আছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য স্বাধীনতাকামী মানুষ তাকিয়ে আছে। মহানগর  নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে একটি তালিকা তৈরি করুন যারা কারাগারে আছে, তারা কি অবস্থায় আছে। বিএনপিকে পবিত্র হওয়ার মহাজোটের নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা আলমগীর বলেন, এই আওয়ামী লীগ জাসদের অসংখ্য নেতাকে হত্যা করেছে। হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন শেখ মুজিবের বিরুদ্ধেও কথা বলেছেন। এসব কি ভুলে গেছেন? নৌকা ছাড়া নির্বাচন করেন দেখুন, কয়টা ভোট পান। এখনও শ্রদ্ধা করি, দয়া করে আপনারা সেই জায়গা হারাবেন না। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও মহানগর আহবায়ক সাদেক হোসেন খোকা বলেন, শাহবাগে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল দলীয়করণ তথা গোটা বিচার বিভাগ দলীয়করণের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ। সরকার তাদের পাতানো নির্বাচনে একটি দলকে নিতে এই ট্রাইব্যুনালকে ব্যবহার করছে বলে আমরা মনে করি। তিনি বলেন, আজ ক্ষমতাসীনরা শাহবাগের আন্দোলন থেকেও সুবিধা নিতে চায়। তাই আন্দোলনকারীদের বলব, কোন দল কিংবা সংগঠন যাতে এই আন্দোলন থেকে কোন প্রকার রাজনৈতিক ফায়দা নিতে না পারে সেদিকে  তোমাদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। খোকার সভাপতিত্বে যৌথসভায় অন্যান্যের মধ্যে মহানগর সদস্য সচিব আবদুস সালাম, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিরব, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, উলামা দলের সভাপতি হাফেজ আবদুল মালেক, মৎস্যজীবী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আউয়াল খান, ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট