Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্য আচরন করায় ক্ষোভ

০২ ফেব্রুয়ারি : পাবনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর ও জনসভায় সাংবাদিকদের প্রবেশ নিয়ে দীর্ঘ জটিলতার শেষ পর্যায়ে সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  শনিবার প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পাবনা পুলিশ সুপার জাহাঙ্গির হোসেন মাতুব্বর সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের কাছে পাবনায় কর্মরত সাংবাদিকদের তালিকা প্রদানের জন্য বলেন। এসময় পাবনা প্রেসক্লাব, রির্পোটার্স ইউনিটি ও স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদকগণ সাংবাদিকদের তালিকা প্রেরন করেন। সে অনুযায়ী পাবনা পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জন্য নিরাপত্তা তথা প্রবেশ কার্ড অনুমোদন করেন। গত বুধবার সাংবাদিকদের নিরাপত্তা পাশ পাবনা প্রেসক্লাব সাধারন সম্পাদক আহম্মেদ উল হক রানার কাছে হস্তান্তর করেন। কার্ড হস্তান্তরের ১ঘন্টা পরেই আবার নিরাপত্তা পাশের কার্ড ফেরত নেন পাবনার পুলিশ সুপার। পরবর্তিতে জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীর প্রোগ্রামে কোন সাংবাদিককে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করা হবে না। যে যার মত সংবাদ সংগ্রহ করবে। এ নিয়ে পাবনার সাংবাদিকদের মধ্যে প্রচন্ড ক্ষোভ জমাট বাধতে থাকে। এক পর্যায়ে পাবনা রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক এক বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন, যা পাবনার কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ  করা হয়। গত শুক্রবার হঠাত করে পাবনা জেলা তথ্য কর্মকর্তা ও প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বে থাকা এসএসএফ কর্মকর্তা মেজর জাহির উদ্দিন পাবনায় কর্মরত সাংবাদিকদের জানান, সাংবাদিকদের প্রবেশের জন্য আলাদা কোন পরিচয় পত্রের  প্রয়োজন নাই। তাদের প্রতিষ্ঠানের দেয়া পরিচয় পত্র প্রবেশের জন্য প্রযোজ্য। এক পর্যায়ে শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে সংরক্ষিত এলাকায় সাংবাদিকগণ প্রবেশ করতে গেলে তাদেরকে অসহযোগিতা করা হয় এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসএসএফের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন রেখে প্রবেশ করতে বলেন। এ নিয়ে জনসভাস্থলে সাংবাদিক ও এসএসএফের সদস্যদের সাথে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে পাবনায় দায়িত্বরত সাংবাদিকগণ জনসভাস্থল থেকে বের হয়ে রাস্তায় দাড়িয়ে সংবাদ সংগ্রহ করেন।  এ নিয়ে পাবনায় কর্মরত সকল সাংবাদিকদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসনের এমন আচরনে সাংবাদিক ও পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের মধ্যে দুরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ আগামীতে পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের উপর পড়তে পারে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নেতৃবৃন্দ মনে করেন। এ ব্যাপারে পাবনা প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক রানার কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরবর্তিতে আলোচনা করে কি করনীয় তা ঠিক করা হবে।