Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বাংলাদেশকে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ দেবে ভারত

Current -11 NM ঢাকা, ৩১ জানুয়ারি : চলতি বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশকে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে ভারত। সঞ্চালন খরচ ছাড়া প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম হবে চার টাকা।
বৃহস্পতিবার দুই দেশের বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতাবিষয়ক যৌথ সমন্বয় কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ভারতের বিদ্যুৎসচিব উমা শঙ্কর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মনোয়ার ইসলাম।
যৌথ সমন্বয় কমিটির এ সভায় বাংলাদেশ ও ভারতের অংশে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপন কাজের অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এ ছাড়া ভারত থেকে বিদ্যুত্ আমদানি প্রকল্পের অগ্রগতি দেখতে সরেজমিন পরিদর্শনে গেছে যৌথ সমন্বয় কমিটি।
বিদ্যুৎসচিব মনোয়ার ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ কোম্পানির প্রথম বোর্ড সভার মধ্য দিয়ে ১৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বাগেরহাট জেলার রামপাল বিদ্যুত্ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হলো। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের আলোচনা আমরা শেষ করেছি।’
ভারতের বিদ্যুৎসচিব উমা শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর লক্ষ্যে ভারতীয় অংশে ভূমি উন্নয়নের কাজ ৯০ শতাংশ, বিদ্যুতের খুঁটি ৬৫ শতাংশ, সঞ্চালন লাইন নির্মাণ ৩০ শতাংশ ও উপকেন্দ্র নির্মাণের কাজ ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। জুলাই মাসের আগেই কাজ শেষ হবে।’
মনোয়ার ইসলাম বলেন, সঞ্চালন লাইন নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে। দুই মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে। উপকেন্দ্র নির্মাণকাজ ৫৭ শতাংশ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়েই শেষ হবে এর কাজ।
রামপাল বিদ্যুকেন্দ্রের পরিবেশের ওপর প্রভাব সম্পর্কে উমা শঙ্কর বলেন, ‘এ প্রকল্প থেকে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হবে না। এখানে ব্যবহূত কয়লার সালফার কনটেন থাকবে অনেক কম। এ ছাড়া টাওয়ারের উচ্চতা হবে ২৭৫ মিটার। তাই পরিবেশের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না।’
ভারতের পরিবর্তে বাংলাদেশে কেন এ ধরনের ক্ষতিকারক প্রকল্প করা হচ্ছে? জানতে চাইলে ভারতের বিদ্যুৎসচিব বলেন, ‘ভারত পাঁচ বছরে ৬২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উত্পাদনের নতুন প্রকল্প করেছে। এর মধ্যে ৫৫ হাজারই কয়লাভিত্তিক। তাই কয়লা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’
এ প্রসঙ্গে মনোয়ার ইসলাম বলেন, ‘পরিবেশের ক্ষতি কমানোর জন্য আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করব। বৃহত্তর উন্নয়নের স্বার্থে এ ধরনের বড় প্রকল্পে আমাদের কিছুটা ক্ষতির সম্মুখীন হওয়াটা মেনে নেওয়া উচিত। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে রামপালের প্রকল্পটি হচ্ছে। তা ছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক হিসেবে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, এ প্রকল্পে আমাদের পরিবেশের তেমন কোনো ক্ষতি হবে না।’
পরিবেশবাদীরা বাগেরহাটের রামপালের এ প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের দাবি, কয়লাভিত্তিক প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ঝুঁকির মুখে পড়বে।