Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

মহাকাশে বানর পাঠালো ইরান

ক্যাভোশগার নামক মহাকাশ অভিযানে এবার বানর পাঠালো ইরান। নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরার জন্যই এমন উদ্যোগ নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। ইরানের এ উদ্যোগ পশ্চিমাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কারণ এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে পারমাণবিক অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাতে সক্ষম হবে দেশটি। ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, গত সপ্তাহে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন উপলক্ষে এ কার্যক্রম শুরু করেছে তারা। তবে বানর পাঠানোর সঠিক দিনটি জানানো হয়নি। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, মহাকাশ প্রযুক্তি ও জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এটি হচ্ছে আরেকটি বড় ধরনের পদক্ষেপ। যা মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি দেশের হাতে রয়েছে। মহাকাশযানে একটি ধূসর রঙের বানরকে বসিয়ে সেটা চালিয়ে দেয়া হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, ঘণ্টায় ৭৫ মাইল বেগে আপন গন্তব্যে ছুটে গেছে ক্যাভোশগার যানটি। ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমাদ ভাহিদি আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজকে বলেছেন, বানর পাঠানোর পর সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরে এসেছে মহাকাশযানটি। ভাহিদি বলেন, ক্যাভোশগার অভিযান হচ্ছে তাদের মহাকাশ অভিযানের প্রথম পর্ব। দ্বিতীয় পর্বে বানরের স্থলে মানুষ পাঠানো হবে। তবে ইরানের এ দাবির সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো যখন ইরানকে পারমাণবিক ইস্যুতে নতুন করে আলোচনা শুরু করার জন্য তারিখ ও স্থান ঠিক করার বিষয়ে তাড়া দিচ্ছে তখন এমন ঘোষণা দিলো প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বিশ্বশক্তি ভয় করছে যে, ইরান হয়তো কূটনীতিক গোপনীয়তার সুযোগ কাজে লাগিয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরির কর্মসূচি এগিয়ে নিচ্ছে। ফলে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে আলোচনায় বসার জন্য ইরানকে আহবান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদেশ নীতিবিষয়ক প্রধান। সোমবার রাশিয়া সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে শিশুর মতো আচরণ করা বন্ধ করে দ্রুত আলোচনা শুরু করতে তাড়া দেয়ার পর এমন আহ্বান আসলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে। তবে বোমা বানানোর বিষয়টিকে পশ্চিমাদের ভ্রান্ত প্রচারণা বলে বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। এদিকে ইরানের মহাকাশে বানর পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন দেশ। মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগের মুখপাত্র ভিক্টোরিয়া নূল্যান্ড বলেন, ইরান এমন কোন উদ্যোগ শুরু করেছে কিনা বা তাতে সফল হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই। যদি এমনটি হয়ে থাকে তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। এটি হলে ইরান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৯২৯ প্রস্তাব লঙ্ঘন করবে। কারণ তাতে ইরানকে পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম যে কোন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ফরাসি স্ট্রাটেজিক রিচার্স ফাউন্ডেশনের প্রধান ব্রুনো গ্রুসেলে বলেছেন, এটি যদি বাস্তব হয় তবে এটা অবশ্যই ইরানের জন্য বড় ধরনের কৃতিত্ব। এদিকে ইরানের একটি পারমাণবিক প্রকল্পের আন্ডারগ্রাউন্ড বিস্ফোরণ ও তাতে বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার কথা অস্বীকার করেছে ইরান। গত সপ্তাহ থেকে এমন বিস্ফোরণের কথা প্রকাশ করছে কিছু পশ্চিমা ও ইসরাইলি মিডিয়া।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট