Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘মূসা মানসিক ভারসাম্যহীন’

আওয়ামী লীগ এর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মন্তব্য করেছেন। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে এবিএম মূসা বঙ্গবন্ধুকে প্রসঙ্গ করে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেছিলেন ‘৬ দফা প্রণয়নের প্রাক্কালে বঙ্গবন্ধু তৃতীয় শ্রেণীর নেতা ছিলেন।’
ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ করতে শুক্রবার রাতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডির কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন হানিফ। এতে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু তৃতীয় শ্রেণীর নেতা ছিলেন বলে তিনি (মূসা) যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ, অশোভন কটুক্তি করেছেন তা নিতান্তই অনাকাঙ্খিত। যা কেবল একজন মানসিক ভারসাম্যহীন, বঙ্গবন্ধুবিদ্বেষী ব্যক্তির মুখেই শোভা পায়।
আওয়ামী লীগের দরদী সেজে এবিএম মূসা সরকারের বিরুদ্ধে কল্পকাহিনী বলছেন উল্লেখ করে হানিফ বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় তিনি তার প্রকৃত উদ্দেশ্য আর লুকিয়ে রাখতে পারছেন না। তিনি ব্যক্তি এবং গোষ্ঠী স্বার্থে শেখ হাসিনার সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জেহাদে অবতীর্ণ হয়েছেন।
সরকার ও জাতীয় নেতৃবৃন্দের চরিত্র হনন, সরকারের সাফল্য ম্লান করার মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে এবিএম মূসা কার্যত বিএনপি-জামায়াত জোটের ষড়যন্ত্রকেই প্রকারন্তরে সহায়তা করে চলেছেন।
একাত্তর সালে মূসা মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়ে পাকিস্তানি ‘দালাল’ হামিদুল হক চৌধুরীর দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে হংকংয়ে গিয়ে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়। হানিফ বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির জনককে সপরিবারে হত্যার প্রতিবাদে কোন ভূমিকা পালন না করে ‘খুনি মোশতাক ও সামরিকচক্রের’ অপকর্মের পক্ষে সাফাই গাইতে কলম ধরেছিলেন মূসা।
তিনি বলেন, দেশের বয়োজ্যষ্ঠ কলামিস্ট হিসেবে আমরা তাকে শ্রদ্ধার আসনেই দেখতে চাই। কিন্তু তিনি ইতোমধ্যেই সকল সরকারের কাছ থেকে ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধা আদায় করে নিজের যে স্বার্থান্ধ, ুদ্র মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তা বেদনাদায়ক।
বর্তমান সরকারের কাছে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমতি চেয়ে না পাওয়ায় তিনি তার ােভ নানাভাবে ব্যক্ত করে চলেছেন। তিনি এখন শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ এমনকি বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নানা রকম বেসামাল উক্তি করে নিজের মনের জ্বালা মেটাতে উঠে পরে লেগেছেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের আলোচনা সভার আয়োজক প্রাক্তন ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের আহবায়ক নুরে আলম সিদ্দিকীকেও এক হাত নেন হানিফ। ওই অনুষ্ঠানে সিদ্দিকী আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বিষোদগার করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের ‘বিষোদগার’ ‘উন্মাদের প্রলাপ’ ছাড়া আর কিছুই নয়। নূরে আলম ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাসভবনের ফোরে গড়াগড়ি খেয়ে ছাত্রলীগের সভাপতির পদটি বাগিয়ে নিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার পর প্রতিবাদ না করে তিনি সামরিক স্বৈরশাসকদের পদলেহন করতে দ্বিধা করেননি।
সামরিক স্বৈরশাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় ডলার বাজারে নয়-ছয় করে তিনি (নূরে আলম সিদ্দিকী) কোটিপতি হয়েছেন। যে দুই ব্যক্তির বক্তব্যের প্রতিবাদ করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনী কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নে হানিফ জানিয়েছেন, এবিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তবে এই প্রতিবাদের মাধ্যমে সবাই সতর্ক হবেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট