Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সাংবাদিকের সঙ্গে র‌্যাবের মাস্তানি!

ঢাকা: ফুটপাথে মোটরসাইকেল ওঠানোর প্রতিবাদ করায় বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল টুয়েন্টি ফোরের ক্রাইম রিপোর্টার কামরুল হাসানকে মারধর করেছেন একজন র‌্যাব কর্মকর্তা। বুধবার রাত ৯টার দিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে স্টার কাবাবের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

সাংবাদিক কামরুল হাসান এবং প্রত্যক্ষদর্র্শীরা জানান, আলতাফ হোসেন নামে র‌্যাব-৩ এর পরিদর্শক ফুটপাথে তার মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-হ-১৩৩৯৪৭) উঠিয়ে কামরুল হাসানকে ধাক্কা দেন। এর প্রতিবাদ করলে র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা কামরুলকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যান এবং তাকে মারধর করেন।এ সময় আলতাফ হোসেন চিৎকার করে বলতে থাকেন, জানিস আমি কে? আমি পুলিশের লোক।

এ সময় সেখানে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে যায় এবং র‌্যাবের ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত হন এবং পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আলতাফ হোসেন তার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চান।

এ সময় লোকজন আলতাফের পরিচয় জানতে চাইলে প্রথমে তিনি নিজেকে তেজগাঁও থানার ওসি বলে পরিচয় দেন। তার কার্ড দেখতে চাইলে তিনি তেজগাঁও থানার এসআই পরিচয় দেন। এ সময় কামরুল হাসান মোবাইল ফোনে তেজগাঁও থানার ওসিকে ফোন করলে আলতাফ হোসেন সুর পাল্টিয়ে বলেন, তিনি তেজগাও থানার স্টাফ কোয়ার্টারে থাকেন। আসলে তিনি র‌্যাব-৩ এর এসআই।

থানায় ফোন করার প্রায় ৪৫ মিনিট পরে পুরাতন বিমানবন্দর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আকরাম হোসেনের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। আলতাফ হোসেনের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে আকরাম হোসেন সাংবাদিকদের জানান, তিনি (আলতাফ) র‌্যাব-৩ এর পরিদর্শক। আকরাম হোসেন সাংবাদিক এবং উপস্থিত উত্তেজিত জনতার অনুমতি নিয়ে আলতাফ হোসেনকে নিয়ে যান। এর আগে আকরাম হোসেনও উত্তেজিত জনতার কাছে ক্ষমা চান।

প্রত্যক্ষদর্শী লুৎফুর রহমান নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, উনি নিজেকে আইনের লোক পরিচয় দিয়ে সাংবাদিককে মেরেছেন। তবে সাংবাদিক যথেষ্ট ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছেন।

আরেক প্রত্যক্ষদরর্শী আবদুস সালাম বলেন, ফুটপাথে মোটরসাইকেল ওঠানো যাবে না-এ বিষয়ে হাইকোর্টের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।তারপরও একজন আইনের লোক কিভাবে ফুটপাথে মোটরসাইকেল ওঠান এবং এর প্রতিবাদ করায় সাংবাদিককেও মারলেন। সাধারণ মানুষ হলে তো উনি (আলতাফ)তাকে ধরে নিয়ে ছিনতাইয়ের মামলায় দিয়ে দিতেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট