Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

অপহরণের পর হোটেল কক্ষে ব্যবসায়ীর লাশ

প্রথমে অপহরণ। তারপর ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি। ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাণভিক্ষা প্রার্থনা। শেষে তিন দিন পর রাজধানীর এক আবাসিক হোটেল থেকে হাত-পা বাঁধা অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা চান মিয়া (৩৮) নামের এক ব্যবসায়ীর। তিনি হোটেল ও জমির ব্যবসা করতেন। গতকাল বিকাল চারটায় বড় মগবাজার হোটেল আল-আকসার ৩৮৬ নম্বর রুমের দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়না তদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে রমনা থানা পুলিশ এর মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে তিন জনকে।
নিহত চান মিয়ার বাড়ি রাজধানীর পাশে আশুলিয়া এলাকায়। সেখানে তার দু’টি হোটেল আছে। পাশাপাশি জমির ব্যবসা করেন। গত ১৯শে জানুয়ারি জমির দলিল করার জন্য আশুলিয়া থেকে ঢাকায় আসেন। এরপর থেকেই তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। নিহতের স্ত্রী ডলি বেগম ২০শে জানুয়ারি রমনা থানায় একটি জিডি করেন। নিহতের ভাগ্নিজামাই মিন্টু বলেন, চান মিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার আশঙ্কা জমিজমা ও হোটেল ব্যবসার বিরোধ নিয়ে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা অপহরণ করে হত্যা করেছে তাকে। হোটেল সূত্র জানায়, ১৯শে জানুয়ারি চান মিয়া হোটেল রুম ভাড়া নিয়েছিলেন। তিনি একাই ছিলেন ওই রুমে। তবে তার রুমে আরও কোন লোকজন আসা-যাওয়া করেছে কিনা তা জানতে পারেনি তারা। বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। গতকাল দুপুরের পর থেকেই রুম থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে হোটেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্দেহ হয়। তারা পুলিশকে খবর দিলে রুমের তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে তারা। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিআইডি ও ডিবি পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার মোবাইল ফোন কলের সূত্র ধরে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। হত্যা রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিহতের স্বজনরা জানান, চান মিয়াকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিল সন্ত্রাসীরা। তাদের দাবি মেটাতে গিয়ে দু’দফায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছিল। ২০শে জানুয়ারি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে ৩০ হাজার ও ২১শে জানুয়ারি বিকাশ-এর মাধ্যমে এক লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ওরা চান মিয়াকে বাঁচতে দেয়নি। শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। মুখে গেঞ্জি গোঁজা ছিল। চোখ ও মুখে আঘাতের জখম ফোলা ছিল। রমনা থানার ওসি মো. শাহ আলম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত ৩ জন হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। বলেছে, তাদের বসের নির্দেশে এ হত্যাকাণ্ড। তবে কি কারণে হত্যা করেছে সে বিষয়ে মুখ খোলেনি।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট