Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সিলেটের চ্যালেঞ্জ শুরু আজ

 আজ বিপিএল-এর দ্বিতীয় ম্যাচে সন্ধ্যা ৬টায় মুখোমুখি হবে সিলেট রয়্যালস ও বরিশাল বার্নার্স। গত আসরের দুরন্ত রাজশাহীর অধিনায়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এবার সিলেট রয়্যালসের অধিনায়ক। প্রথম আসরে পয়েন্ট তালিকার সবচেয়ে নিচে থাকা দলটির দায়িত্ব নিয়ে মুশফিক রীতিমতো চ্যালেঞ্জই মনে করছেন। এই বিষয়ে গতকাল তিনি বলেন, ‘গত আসরে যেহেতু ফলাফল ভাল ছিল না। এবার সেখান থেকে উন্নতি করতে হবে। আমাদের ম্যাচ বাই ম্যাচ টার্গেট। বিদেশী আর দেশী ক্রিকেটার মিলিয়ে বেশ ভাল একটা দল আছে এবার। তবে আমাদের টিনো বেস্ট আর আন্দ্রে রাসেল না আসাতে হয়তো ভারসাম্য খর্ব হতে পারে। তবে উপযুক্ত বিকল্প ক্রিকেটার নেয়া হচ্ছে। তারা এলে হয়তো ভাল কিছু হতে পারে। আশা করি তারা নিজেদের সামর্থ্য অনুসারে খেলতে পারলে এবার অনেক ভাল কিছু করা সম্ভব।’ অন্যদিকে বরিশাল বার্নার্সের এখনও অধিনায়কই ঠিক হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির মিডিয়া ম্যানেজার রাজীব। তিনি বলেন, আমাদের অধিনায়ক ব্র্যাড হজ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর আমাদের দু’জন পাকিস্তানির পরিবর্তে এখনও কোন নতুন ক্রিকেটার নেয়া সম্ভব হয়নি। এখন আমাদের দলে দু’জন বিদেশী ক্রিকেটার আছেন একজন আজহার মাহমুদ ও কবির আলী। তবে কাল (আজ) টিম কম্বিনেশন নিয়ে সমস্যা থাকলেও আমাদের কিছুই করার নেই।
প্রথম আসরে বিপিএল’র পয়েন্ট তালিকার তলানিতে সিলেট রয়্যালসের দায়িত্ব চ্যালেঞ্জ কিনা এই প্রসঙ্গে মুশফিকুর রহীম বলেন, ‘গতবার কিন্তু কাগজে-কলমে আমাদের দলটা খুব বেশি খারাপ ছিল না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে মাঠে হয়তো তারা সেভাবে নৈপুণ্য দেখাতে পারেনি। এটা অবশ্যই একটা চ্যালেঞ্জ। পুরো দলের জন্যই চ্যালেঞ্জ। এবার আমাদের নতুন কোচ আছেন, নতুন অনেক খেলোয়াড় নিয়ে প্রায় নতুন একটা দল আমরা। এটা নিয়ে আমরা আমাদের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করবো।’ আর আজ  বরিশালের বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে সিলেটের অধিনায়ক মুশফিক বলেন, ‘যে কোন টুর্নামেন্টেরই শুরুটা খুব জরুরি। আমরা সেটা নিয়েই বেশি মনোযোগী এবং বরিশালও অনেক ভাল দল। তাদের স্থানীয় ও বিদেশী কিছু ভাল ক্রিকেটার আছেন। তবে আমাদেরও বিদেশী কিছু ক্রিকেটার আছেন। আজকে (বৃহস্পতিবার) কিছু খেলোয়াড় আসবেন এবং আগামীকাল আরও কয়েকজন আসবেন। সমন্বয় ঠিক রেখে যদি আমরা মাঠে ভাল করতে পারি এবং টি-টোয়েন্টি ক্ষুদ্রতম ফরমেটের খেলা বলে অনেক কিছুই হতে পারে। আমরাও সে বিষয়ে মনোযোগী আছি।’
অন্যদিকে বিপিএল’র দ্বিতীয় আসরে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের না আসা কি প্রভাব ফেলতে পারে- এই বিষয়ে মুশফিক বলেন, ‘আমাদের দলে খুব বেশি নামী-দামি কোন পাক ক্রিকেটার ছিল না। কাজেই সেদিক থেকে আমাদের দলের খুব বেশি সমস্যা হয়নি। তবে অধিকাংশ দলেরই কম-বেশি সমস্যা হচ্ছে। আমরা আশা করছি আমাদের যারা বিদেশী ক্রিকেটার আছেন এবং বিদেশী কোচিং স্টাফ আছেন তারা দ্রুতই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। আশা করছি পুরো দলের তাদের ওপরে যে প্রত্যাশা আছে সে অনুযায়ী তারা নৈপুণ্য দেখাতে পারবে।’
এছাড়াও আইপিএল ভারতীয় ক্রিকেটের ক্ষতিসাধন করছে। আর সেই ভাবে বিপিএলও কি বাংলাদেশের ক্ষতি সাধন করবে কিনা এই প্রশ্নের জবাবে মুশফিকুর রহীম বলেন, ‘বাজে প্রভাব বলতে আসলে কিছুই নেই। আপনি যত ক্রিকেট খেলতে পারবেন ততো শিখতে পারবেন। আর বিপিএল এমন একটা আসর, আপনারা দেখেছেন, গত বছর এ টুর্নামেন্টের পর অনেকেই জাতীয় দলে খেলেছেন। আর ঠিক পরপরই আমরা অনেক ভাল ক্রিকেট খেলেছিলাম। কাজেই এটা অনেক বড় প্রভাব পড়ে জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটে। এটা আমাদের জন্য দারুণ সুযোগ একসঙ্গে এত বিদেশী ক্রিকেটারের সঙ্গে একই পরিকল্পনায় একসঙ্গে একই দলে খেলা, তাদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা। এটা নিয়ে সব ক্রিকেটারই একটা চ্যালেঞ্জে থাকে। তাই এটা অবশ্যই দেশের ক্রিকেটের জন্য একটা ইতিবাচক দিক।’ এর পর আজ তাদের দল নিয়ে বলেন, ‘ইতিমধ্যে আরেকজন চলে আসছেন। আর আমরা ডার্ক ন্যানেস, মোহাম্মদ নবী, এলটন চিগুম্বুরা ও পল স্টার্লিং সবমিলিয়ে এ ৫ জনকে আশা করছি প্রথম ম্যাচের আগেই পাবো। আর আমাদের সঙ্গে আজ (গতকাল) মাসাকাদজা অনুশীলন করেছে। তাই আজ মাঠে দল নিয়ে ভাল কিছু উপহার দিতে পারবো বলেই মনে করি।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট