Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

দুই কারণে আসামি হচ্ছেন আবুল হোসেন

: দুই কারণে আসামি হচ্ছেন সৈয়দ আবুল হোসেন। শেষ পর্যন্ত এজাহারে আগত আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন আবুল হাসান চৌধুরীও। এমন তথ্যই পাওয়া গেছে সংশ্লিষ্ট সূত্রে। সৈয়দ আবুল হোসেনকে আসামি করার সিঁড়ি ধরেই  নাম থাকছে আবুল হাসানের। সৈয়দ আবুল হোসেনকে পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলায় আসামি করা না হলে বিশ্বব্যাংকের বিদায় অনেকটা নিশ্চিতই বলা যায়। অন্যদিকে আবুল হোসেনকে আসামি করা হলেও বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন করবে এমন নিশ্চয়তাও নেই। এখন আবুল হোসেনকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে দুদক। আবুল হোসেনকে আসামি করা না করা নিয়ে বিশ্বব্যাংক ফিরে গেলে পুরো দায় দুদকের ঘাড়ে পড়বে এবং চরম ভাবে দুদকের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে বলে মনে করছেন দুদকের ঊর্ধ্বতন মহল। দুদকের ওই মহলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি মামলায় সৈয়দ আবুল হোসেন ও আবুল হাসান চৌধুরীকে মামলার আসামি করার ক্ষেত্রে দুদক এক ধাপ এগিয়ে আছে এজাহারে তাদের নাম উল্লেখ করে। এখন অধিকতর তদন্তে তারা আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন- এমন আসামি হওয়ার নজির দুদকে অনেক আছে। দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান একাধিকবার বলেছেন, মামলা দায়ের করার সময় সৈয়দ আবুল হোসেনকে আসামি করার মতো যথেষ্ট প্রমাণাদি হাতে ছিল না, এখন তদন্তে প্রমাণাদি পাওয়া গেলে তিনি আসামি হবেন। সূত্রমতে সৈয়দ আবুল হোসেনকে আসামি করার মতো দু’টি বড় প্রমাণ এখন দুদকের নাগালে। রমেশ সাহার ডায়েরি ও এসএনসি লাভালিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৈয়দ আবুল হোসেনের বৈঠক সংক্রান্ত বিষয়ে সাবেক সেতু সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার বক্তব্য। পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলার সূত্রপাত এসএনসি লাভালিনের কর্মকর্তা রমেশ সাহার ডায়েরি থেকে। ওই ডায়েরিতে মিনিস্টার ও সেক্রেটারি শব্দগুলোর পাশে ঘুষের পার্সেন্টেজ উল্লেখ করা আছে। কানাডিয়ান পুলিশের জব্দ করা ওই ডায়েরির পাশাপাশি ঘুষের প্রমাণ হিসেবে কানাডিয়ান আদালতে দেয়া রমেশ সাহার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও আছে। এতদিন রমেশ সাহার ডায়েরি দুদকের কাছে ছিল না। বিশ্বব্যাংক বা কানাডিয়ান পুলিশ সেগুলো সরবরাহ করেনি। সূত্রমতে অতি সমপ্রতি কানাডিয়ান রয়েল পুলিশ এক চিঠি মারফত দুদককে জানিয়েছে তারা রমেশ সাহার ডায়েরি সহ রমেশ সাহার আদালতের কাগজপত্র দুদকে সরবরাহ করবে। রমেশ সাহার ডায়েরিতে পরিষ্কার ভাবেই মিনিস্টার শব্দ লেখা আছে, এটা সৈয়দ আবুল হোসেনের সংশ্লিষ্টতার একটি বড় ধরনের প্রমাণ। এছাড়া, ঘুষ দিয়ে কানাডিয়ান আদালতে দেয়া রমেশ সাহার বক্তব্যও পাওয়া যাবে। অন্যদিকে ঢাকাতে সাবেক সেতু সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার মধ্যস্থতায় সৈয়দ আবুল হোসেনের সঙ্গে এসএনসি লাভালিন কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়েছিল। বিশ্বব্যাংক প্যানেলের ভাষ্য অনুসারে ওই বৈঠকেই ঘুষ লেনদেনের ফয়সালা হয়েছিল। একটি সূত্র জানিয়েছে, মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সে সময়ের যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের অংশগ্রহণের বিষয়টি দুদককে নিশ্চিত করেছেন মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া নিজেই দুদকে দেয়া তার বক্তব্যে। এসএনসি লাভালিনের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টিতেই ফেঁসে যাচ্ছেন সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীও।
সূত্রমতে সৈয়দ আবুল হোসেনকে আসামি করার মতো দু’টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখন প্রমাণ হিসেবে দুদকের নাগালে। এছাড়াও বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দল শুরু থেকেই বলে আসছে বাংলাদেশের প্রশাসনিক পদ্ধতিতে মন্ত্রীই হচ্ছেন প্রধান। প্রধান ব্যক্তি দায় এড়াতে পারেন না।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট