Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

আদালতে খালেদা

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার শুনানিতে আদালতে হাজিরা দিলেন বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। পরে আদালত এ মামলায় চার্জশিট গ্রহণের আদেশ দেয়। একই সঙ্গে পলাতক আসামি হারিছ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিরও আদেশ দেয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর সিনিয়র দায়রা জজ মো. জহুরুল হক গতকাল এ আদেশ দেন। এ মামলায় চার্জশিট গ্রহণ করা হবে কিনা তার ওপর গতকাল দুপুর সোয়া ২টা থেকে শুরু করে বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত শুনানি হয়। এ সময় খালেদা জিয়া কাঠগড়ার সামনে একটি চেয়ারে বসা ছিলেন। খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার আমিনুল হক, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মো. বোরহান উদ্দিন আহম্মেদসহ শতাধিক আইনজীবী। তারা বলেন, এ মামলা দায়েরের কোন এখতিয়ার দুদকের নেই। কারণ এটি একটি ব্যক্তিগত ট্রাস্ট। আইন মেনে মামলাটি দায়ের করা হয়নি। দুদকের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন মোশাররফ হোসেন কাজল। শুনানি শেষে বেলা সাড়ে তিনটার পরে আদালত এলাকা ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া। আসা-যাওয়ার সময় সমবেত হাজারো নেতাকর্মী স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান। সকাল থেকেই আদালত এলাকায় নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। আদালত এলাকায় বিপুল সংখ্যক র‌্যাব-পুলিশের উপস্থিতি ছিল। এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে ২০১২ সালের ১৬ই জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ খান। এ মামলার অন্য তিন আসামি হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, রাজনৈতিক সচিবের একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম (বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র ভারপ্রাপ্ত পরিচালক) এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। হারিছ চৌধুরী মামলার সূচনা থেকেই পলাতক। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত ১ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়। এর কোন বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ করা হয়। ২০১১ সালের ৮ই আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া সহ চার জনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ। গত ৬ই জানুয়ারি এ বিষয়ে শুনানির তারিখ ধার্য থাকলেও খালেদা জিয়া ‘নিরাপত্তাহীনতা’র কারণে সেদিন আদালতে হাজির হননি। আসামি পক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ১৫ই জানুয়ারি শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছিলেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট