Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

পুলিশের স্প্রেতে আক্রান্ত শিক্ষকের মৃত্যু

 ঢাকা, ১৫ জানুয়ারি : এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলনরত নন-এমপিও শিক্ষকদের ওপর পুলিশের রাসায়নিক মরিচ স্প্রেতে আক্রান্ত হয়ে এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি অধ্যক্ষ এশারত আলী।

একই দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শিক্ষকরা সকাল ১০টার দিকে  ন্যাম ভবনের সামনে অনশন করতে গেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম পাশে পুলিশ বাধা দেয়। আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর জলকামানের পানি ও তরল কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী তারা ন্যাম ভবনের সামনে অনশন করতে রওনা হলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম পাশে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে সোবহানবাগ পর্যন্ত নিয়ে যায়। শিক্ষকরা তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না বলেও ঘোষণা দেন।

সোবহানবাগের প্রিন্স প্লাজার সামনে শিক্ষক-কর্মচারীরা অবস্থান নিতে চাইলে পুলিশ তাদের ওপর আবারো জলকামান থেকে পানি ও তরল কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। এতে ১০-১৫ জনের মতো আহত হয়েছেন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিতসার জন্য নেয়া হয়েছে।

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি মো. এশারত আলীসহ আন্দোলনরত শিক্ষকরা দাবি করেন, পুলিশ তাদের ওপর গরম পানি ছুড়েছে। আজকের ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারী আহত হয়েছেন। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিতসাধীন।

পুলিশের টহল পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, গরম পানি নয়, রাস্তায় বাধা সৃষ্টি করায় তাদের ওপর ঠাণ্ডা পানি ছোড়া হয়েছে।
এশারত আলী অভিযোগ করেন, এমপিওর দাবিতে ঢাকায় আন্দোলন করতে এসেছিলেন সংগঠনের পটুয়াখালী জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেকান্দার আলী। ১০ জানুয়ারি শহীদ মিনারে পুলিশের মরিচের গুঁড়ামিশ্রিত টিয়ার স্প্রেতে অসুস্থ হন তিনি।
তাতক্ষণিক তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিতসা নেন। চিকিতসার পর ওই দিন বিকেলে তার বাড়ি পটুয়াখালীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সেখানে অবস্থা আরো খারাপ হয়ে মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে মারা যান এই শিক্ষক। তিনি দুমকি উপজেলার চড়বয়রা দাখিল বালিকা মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৫।