Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ ভিত্তিহীন : ড. মসিউর রহমান

 ঢাকা, ১২ জানুয়ারি : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেছেন, পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ ভিত্তিহীন। একটি ‘ভুয়া’ জিনিসের ওপর নির্ভর করে পদ্মা সেতুর দুর্নীতি নিয়ে কথা বলা হচ্ছে। এখনও এর কোন প্রমাণ বিশ্বব্যাংক, কানাডা সরকার ও দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার গণমাধ্যমগুলো দেখাতে পারেনি। বাংলা একাডেমী অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপের প্যানেল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, কোন প্রমাণ প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে বলা ঠিক না। মসিউরের বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানের সঞ্চালক আকবর হোসেন বলেন, বিশ্বব্যাংক বলেছে তারা প্রমাণের কাগজ বাংলাদেশ সরকারকে দিয়েছে। তারা বলেছে, সরকার চাইলে এটা প্রকাশ করতে পারে। জবাবে মসিউর রহমান বলেন, বিশ্বব্যাংক এরকম কোন কাগজ দেয়নি। বাংলাদেশ সরকার কানাডার কাছেও এটা চেয়েছে। তারাও দিতে পারেনি। বলেছে, তাদের দেশে এর বিচার শুরু না হওয়া পর্যন্ত দেবে না। তিনি বলেন, একটি নোটবুকের পাতার লেখার ওপর নির্ভর করে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র হয়েছে বলে বলা হচ্ছে। কিন্তু সেই পাতা কেউ  দেখেনি।  অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে অন্যদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন বিএনপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অ্যাকশন এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবীর, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলী রেজা ইফতেখার। জাতির উদ্দেশে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ প্রসঙ্গে দর্শক সারি থেকে ওঠা একটি প্রশ্নের উত্তরে আমীর খসরু বলেন, যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে সরকার ক্ষমতায় এসেছিল তা রক্ষা করেনি। দ্রব্যমূল্য, আইনের শাসন, রাজনৈতিক শিষ্টাচার কিছুরই উন্নতি হয়নি। চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরেকটি ১/১১ জন্ম দেবে কিনা দর্শক সারি থেকে ওঠা প্রশ্নের উত্তরে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এরকম পরিস্থিতি তৈরি করছে সরকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য একটি মীমাংসিত বিষয়ে সরকার সংবিধানে পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এমন পরিবর্তনে দেশ সঙ্কটের মুখে পড়েছে । সরকার কোন সমঝোতার দিকে না গেলে ১/১১-এর মতো পরিস্থিতি অবশ্যই সৃষ্টি হতে পারে। আওয়ামী লীগ চায় এরকম পরিস্থিতি তৈরি হোক। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের কথা বললেও মিলিটারি সরকারকে সাধুবাদ জানায় বলেও তিনি অভিযোগ করেন। একই প্রসঙ্গে মসিউর রহমান বলেন, সংবিধানের বিপক্ষে যদি কেউ যায় তবে সে গণতন্ত্রে আস্থাহীন। আলী রেজা ইফতেখার বলেন, সংলাপ না হওয়াই বড় ব্যর্থতা। বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক ব্যর্থতাই বেশি বলে তিনি উল্লেখ করেন। ফারাহ কবীর বলেন, নাগরিক হিসেবে আমরা গণতন্ত্র ছাড়া অন্য কিছু চাই না। আন্তর্জাতিক মহলও বাংলাদেশে গণতন্ত্র ছাড়া অন্য কিছু চায় না।