Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

জাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালিত : বর্জন করেছে বিএনপিপন্থি শিক্ষকরা

জাবি প্রতিনিধি, ১২ জানুয়ারি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২তম জন্ম দিবস শনিবার পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে নানা আয়োজন ঘটলেও  দিবসের শ্লোগানকে কেন্দ্র করে তা বর্জন করেন বিএনপিপন্থি সকল শিক্ষকগণ। এটি যথাযথ হয়নি বলে মন্তব্য করেছে প্রগতিশীল শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও।
জানা যায়, ১৯৭০ সালের ২০ আগস্ট প্রতিষ্ঠা হয় দেশের একমাত্র আবাসিক এই বিশ্ববিদ্যালয়টি । ৪ জানুয়ারি ১৯৭১ সাল থেকে এর ক্লাশ শুরু হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন হয় ১৯৭১ সালের ১২ জানুয়ারি। সেই থেকে ১২ জানুয়ারি হয়ে উঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম দিবস হিসেবে। যা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে পরিচিত। তবে ২০০০ সালে উপাচার্য থাকাকালে  অধ্যাপক আবদুল বায়েস সর্বপ্রথম এ দিবসটি পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
শনিবার দিবসটি উপলক্ষ্যে র‌্যালি, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক  অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়টি থাকে উন্মুক্ত। যাতে প্রাক্তনরা তাদের সংশ্লিষ্ঠ বিভাগ, হল, লাইব্রেরি এমনকি তারা যে রুমে থাকত তাতেও তাদের পুরো পরিবার নিয়ে যেতে পারে। তবে এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অংশগ্রহণ পূর্বক দিবসের শ্লোগানকে  বিশেষ রাজনৈতিক দলের শ্লোগান আখ্যায়িত করে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো: শরিফ উদ্দিনের নেতৃত্বে তা বর্জন করে বিএনপিপন্থি শিক্ষকগণ। সরজমিনে দেখা যায়, এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে মাথায় পড়ার জন্য কাগজের যে ক্যাপ তৈরী করা হয়েছে তাতে লেখা ছিল “যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচার, এই দিবসের অঙ্গিকার”। বিএনপিপন্থি শিক্ষকগণ এই শ্লোগানকে আওয়ামী সরকারের প্রহসনমূলক বিচারের শ্লোগান বলে আখ্যায়িত করেন। তারা মনে করেন, এই শ্লোগানের ভিতরে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার মূল রহস্য পুঞ্জিভুত। তারা সাংবাদিকদের বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার পুরো জাতির দাবি। তবে আজকের এই শ্লোগানে যদি “স্বচ্ছ” কথা লিখা থাকত তাহলে আমরা তা বর্জন করার প্রশ্নও আসত না। এদিকে একই বিষয়ে মন্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রগতিশীল রাজনৈতিক চিন্তা-ধারার নেতৃত্ব দাতা একাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী। তাদের মতে, শ্লোগানটি বিশেষ দলের শ্লোগান। বরং এটি হওয়া উচিত ছিল ‘সকল যুদ্ধাপরাধীদের স্বচ্ছ বিচার, এই দিবসের অঙ্গিকার’। আর বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু সবার তাই এতে কোন বিশেষ রাজনৈতিক দলের শ্লোগান দেয়া সমীচীন হয়নি।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে উপস্থিত প্রাক্তন ২জন  উপাচার্য, ২ জন নিবন্ধক ও ৮ জন অধ্যাপককে শাল ও ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।