Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বিশ্ব ইজতেমায় র‌্যাব-পুলিশ-গোয়েন্দা সংস্থার ৬ স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা

 ১১ জানুয়ারি: রাজধানীর অদুরে শিল্পনগরী টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব তাবলীগ জামায়াত আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে। শুক্রবার ছিল বিশ্ব ইজতেমা শুরুর প্রথম দিন । বুধবার থেকে র‌্যাব-পুলিশ-আমর্ড পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রায় ১০ হাজার সদস্য দিয়ে ইজতেমা মাঠে চারিদিকে ৬ স্তরের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলা হচ্ছে। পুলিশের ২টি, র‌্যাবের ১টি কন্ট্রোল রুম সহ ময়দানে মোট ছোট বড় ১৮ টি কন্টোল রুম স্থাপন ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে । শুক্রবার সকাল থেকেই র‌্যাবের পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে পুরো মাঠ নজরদারী শুরু করেছেন। প্রায় ১ হাজার গোয়েন্দা সদস্য ইজতেমার প্যান্ডেলের ভিতর মুসল্লী বেশে আগত মুসল্লিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করবে । সবমিলিয়ে বর্তমানে সমগ্র টঙ্গী এলাকা র‌্যাব-পুলিশের শহরে পরিণত হয়েছে।

র‌্যাবের ৪৮টি সিসিটিভি ক্যামেরা, হেলিকপ্টার ও পর্যবেক্ষন টাওয়ার : এ বছর টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠের ১৭ টি প্রবেশ পথে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ময়দানে ঢুকতে মেটাল ডিরেক্টর দিয়ে ব্যাগ ও দেহ তল্লাশী করা হচ্ছে। যাতে কোন ধরনের নাশকতা না হয় সে জন্যে এ ব্যবস্থা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। ময়দানের ভেতরে ও বাহিরে ৪৮ টি সিসিটিভি বসানোর হয়েছে। এছাড়া বিশ্ব ইজতেমা শুরুর ৩ দিন এবং আখেরী মোনাজাতের দিন ময়দানের ভেতরে এবং চার পাশে র‌্যাবের ১টি হেলিকপ্টার মুসল্লিদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আকাশে টহল দিবে। অপর দিকে র‌্যাবের ৯টি পর্যবেক্ষন টাওয়ার থেকে বাইনোকুলার দিয়ে মুসল্লিদের গতিবিধিসহ পর্যবেক্ষন ও মনিটরিং করা হচ্ছে । আর মাঠে গোয়েন্দা বেশে ৩২ টি খিত্তায় নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে র‌্যাব সদস্যরা।
গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার ( এসপি) আব্দুল বাতেন নিউজমিডিয়াবিডি.কমকে জানান, ১০ জানুয়ারী থেকে নিরাপত্তা সম্পূর্ন জোরদার করা হবে । শুধু পুলিশের পক্ষ থেকে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে। মেটাল ডিরেক্টর দিয়ে আগত মুসিল্লদের দেহ ও লাগেজ তল্লাশী করা হচ্ছে ।
র‌্যাব ডিজি মোখলেছুর রহমান নিউজমিডিয়াবিডি.কমকে জানান, বিশ্ব ইজতেমা চলাকালীন র‌্যাব ৮/১০ টি উঁচু টাওয়ার থেকে দূরবীক্ষন যন্ত্র দিয়ে পুরো মাঠ পর্যবেক্ষন করা হচ্ছে । র‌্যাব ২টি হেলিকপ্টার দিয়ে মাঠের উপর দিয়ে তীক্ষ্ম নজর রাখা হচ্ছে। সড়কপথে থাকবে ফুট ডিউটি, পিকাপ ও মটর সাইকেল টহল। তুরাগ নদীতে থাকবে র‌্যাবের স্পীড বোর্ড টহল। পুরো ইজতেমা ময়দানকে ৫টি সেক্টরে বিভক্ত করে প্রতি সেক্টরে ১জন মেজর নিরাপত্তা মনিটর করছেন।