Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

১/১১ আনার জন্যই বিরোধী দলের আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী

, ঢাকা, ১০ জানুয়ারি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিরোধী দলের আন্দোলন জনস্বার্থে নয়। আবারও ১/১১ নিয়ে আসার জন্যই তারা আন্দোলন করছে। যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা ও গণতন্ত্র নস্যাত্ করাই তাদের লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা। এ কারণে সংবিধান লঙ্ঘন করে কেউ ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করলে শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ যেন গণতন্ত্র নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সংবিধানে এটা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় গাড়িতে আগুন দিয়ে মানুষ মারছে। পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মানুষ মারা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সংবিধান সংশোধন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফিরিয়ে এনেছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার কাজ করে যাচ্ছি। আমরা জাতির পিতার আদর্শ ধরে রেখেছি। মুক্তিযুদ্ধের বন্ধুদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি। আগামী মার্চে বিদেশি বন্ধুদের সম্মাননা জানাতে আমরা আরেকটা অনুষ্ঠান করব।’ তিনি বলেন, সব চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে জাতির পিতার আত্মত্যাগ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তাঁর নির্দেশিত পথেই ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করে তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা কায়েম করা হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫-পরবর্তী ২১ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা দেশের কোনো উন্নয়ন করেনি। তারা পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে ব্যস্ত ছিল। সঙ্গিনের খোঁচায় তারা পবিত্র সংবিধানকে ক্ষত-বিক্ষত করেছে। তিনি বলেন, ৭৫-এর পর ১৮-১৯টা ক্যু হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা সৈনিকদের হত্যা বা চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তিনি বলেন, পরাজিত শক্তিরাই ২১টি বছর জাতির ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। ইতিহাস বিকৃত করেছে। আফসোস করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশের পাঠ্যপুস্তকে দেশের ইতিহাস সঠিক লেখা হয়; কিন্তু বাংলাদেশে ভুল ইতিহাস লেখা হয়েছে। আমরা ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে ইতিহাস ঠিক করি। তখন মানুষ বুঝতে পারল সরকারের কাজ মানুষের সেবা করা। সরকার মানুষকে কিছু দেয়।’
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশে ফেরার দিনের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, প্রকৃতপক্ষে জাতির বিজয় আসে ১০ জানুয়ারি। এদিন সবাই সব হারানোর বেদনা ভুলে নেতাকে বরণ করে নেয়। বঙ্গবন্ধু সেদিন দেশে ফিরে প্রথমই এসেছিলেন জনতার সামনে।
হাছান মাহমুদ ও অসীম কুমার উকিলের পরিচালনায় আলোচনাসভায় আরও বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, অনুপম সেন, আবদুস সামাদ, এম এ আজিজ, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী ও সানজিদা খানম।