Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

দুর্নীতিবাজ নেতাদের বাঁচাতে সরকার দুদকের আইন পরিবর্তন করতে যাচ্ছে: রফিকুল

দুর্নীতিবাজ নেতাদের বাঁচাতে সরকার দুদকের আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে বলে অভিযোগে করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। বলেছেন, দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করতে সরকার দুদকের আইন পরিবর্তন করতে চাইছে। ৩৩৯ জন দুর্নীতিবাজ দলীয় নেতাকর্মীদের বাঁচাতেই দুদকের মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা সরকার নিজেদের কাছে নিতে চাইছে। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে মহিলা দল আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, এ সরকারের শেয়ারবাজার দুর্নীতি, পদ্মাসেতু দুর্নীতি, ডেসটিনির হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির কথা শুধু বাংলাদেশেই নয়, কানাডা, আমেরিকা ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, খুন, গুম, রাহাজানির সঙ্গে যারা জড়িত, সরকার তাদের না ধরে বরং যারা জেলে আছে তাদের ছেড়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, বিএনপির নিরীহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্যাতন করছে। মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরীন সুলতানার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। তবে সমাবেশের আগেই মাইক কেড়ে নেয় পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের বাগবিতণ্ডা হয়। এর পর দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশটি কয়েকশ পুলিশ ঘিরে রাখে। পরে পুলিশের অনুমতিসাপেক্ষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিজয় নগর মোড়ের নাইটিঙ্গেল হয়ে আবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানের নেতৃত্বে মহিলা দলের সভাপতি নুরী আরা সাফা, ঢাকা মহানগর মহিলা দলের সভাপতি সুলতানা আহমেদ সহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেত্রীরা মিছিলে অংশ নেন। উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলা শুধুমাত্র দুদকই প্রত্যাহারের ক্ষমতা রাখে।
ইতিহাসের শিক্ষা: সত্য চাপা দেয়া যায় না: রফিকুল
এদিকে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, ক্ষমতা বলে সত্য চাপা দেয়া যায় না, এটাই ইতিহাসের শিক্ষা। ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা মাওলানা ভাসানীর জীবনী ৫ম ও ৮ম শ্রেণীর পাঠ্য পুস্তক থেকে বাদ দেয়ার প্রতিবাদে’ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক দল আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন। রফিক বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন একজন নির্লোভ ব্যক্তি। তিনি যদি চাইতেন তাহলে যে কোন পদ নিয়ে ক্ষমতায় যেতে পারতেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ও ফারাক্কা বাঁধ থেকে বঞ্চিত করার বিরুদ্ধে প্রথম যে ব্যক্তি সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি হলেন মওলানা ভাসানী। সেই ব্যক্তিকে ইতিহাস থেকে বাদ দেয়ার ষড়যন্ত্রকারীদের ইতিহাস কখনও ক্ষমা করবে না। তিনি বলেন,  ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতে চলে, কোন অপশক্তি তাকে প্রভাবিত করতে পারে না। তিনিই ছিলেন প্রগতিশীল রাজনীতির ধারক এবং বাহক। তাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পূর্ণ হয় না। প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সরাসরি নেতা এবং বঙ্গবন্ধু চেষ্টা করেছেন তাকে যথাযথ মর্যাদা দিতে। অথচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মেয়ে হয়ে মওলানা ভাসানীর ইতিহাস পাঠ্য পুস্তক থেকে বাদ দিয়েছেন। সংগঠনের সভাপতি মেজর (অব.) মেহবুবের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে সংগঠনের সহ-সভাপতি রমিজ উদ্দিন, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের রহমতুল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক দলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জাকির হোসেন মিজান বক্তব্য দেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট