Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

দেশকে ভালবাসি তাই নৈতিক দায়িত্ব থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা বলি : ড আকবর আলি খান

 নিউজডেস্ক : একমাত্র আল্লাহকে ছাড়া আমি আর কাউকে ভয় পাই না । আমার কথার কেউ সমালোচনা করুক, প্রতিক্রিয়া দিক কিংবা আমাকে গালিগালাজ করুক তাতে আমার কোন সঙ্কোচবোধ নেই বললেন, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান।

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ২৪ এর মধ্যরাতের মুক্তবাক অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধে
হয়তো তেমন অবদান রাখতে পারিনি তবে দেশকে ভালবাসি, দেশের মানুষকে ভালবাসি তাই অনেক
সুযোগ পেয়েও বিদেশ যাইনি দেশেই আছি, দেশকে নিয়ে সমাজকে নিয়ে ভাবছি, গবেষনা করে যাচ্ছি।
দেশের সরকারব্যবস্থা নিয়ে গনতন্ত্র নিয়ে কথা বলা আমার নৈতিক দায়িত্ব মনে করি। আর নৈতিকতার
বোধ থেকেই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা বলে আসছি। আর এটা আমি অব্যাহত রাখব।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মাহমুদুর রহমান মান্না।

ড. আকবর আলি খান আরো বলেন, আমি রাজনীতি করি না বা কোন রাজনৈতিক দলের
সঙ্গেও সুম্পর্ক বজায় রাখি না। সরকারের কোন পদে অধিষ্ট হওয়ারও আমার কোন ইচ্ছে নেই কেউ
দিলে সেটাও আমি নিব না। শুধু দেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করে যেতে চাই, গবেষনা করে যেতে
চাই।

দেশের বিভিন্ন সঙ্কট মুহুর্তে সুশীল সমাজের ভুমিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন সঙ্কটে সুশীল
সমাজ গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে। তারা দেশের প্রতিনিধিদের বিভিন্ন কাজে পরামর্শ দিবে
বা কাজের সমালোচনা করবে। তবে সুশীল সমাজের লোকজন রাজনীতিতে আসতে পারবে না। তিনি
বলেন, বিভিন্ন দেশে সুশীল সমাজের লোকেরা রাজনীতিতে এসেছিল তবে অতটা ব্যাপ্তি ঘটাতে পারেনি।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনে সুশীল সমাজ কি ভুমিকা রাখতে পারে জানতে চাইলে ড.
আকবর আলি খান বলেন, উদ্ভুত সমস্যার পুরো সমাধান না করতে পারলেও সুশীল সমাজ আশার
আলো জ্বালাতে পারে, বক্তব্য নিয়ে আসতে পারে। আজকে বাংলাদেশে যেটা দরকার সেটা হচ্ছে
আমাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে, আমাদের একেবারে তৃণমুল থেকে আওয়াজ তুলতে হবে যে
এমন সভ্য দেশে এটা হতে দেওয়া যায় না। কে ক্ষমতায় যাবে না যাবে এ হালুয়া-রুটি নিয়ে
জনগণকে মাশুল দিতে হবে কেন। কাজে এ বক্তব্য আমাদের যেখানে, সেখানে বলতে হবে। হতে পারে
সেটা চায়ের দোকান, ট্রেন-বাস, পথে-ঘাটে কিংবা টকশো। তবে আমাদের আওয়াজ তুলতে হবে
এবং দুই পক্ষের রাজনীতিবিদদের কানের মধ্যে এটা ঢুকাতে হবে।

সরকারের চার বছরের মুল্যায়ন সম্পর্কে বিভিন্ন মিডিয়ার জরিপ সম্পর্কে এই প্রবীণ রাজনৈতিক
বিশ্লেষক বলেন, এ পর্যন্ত যে সমস্ত জরিপ আমি দেখেছি তার প্রত্যাকটিতে একটা জিনিস বেশী
মুল্যায়িত হয়েছে যে দেশের মানুষ তত্ত্বাবধায়ক বা এর মত একটা সরকারের অধীনে সুষ্ঠ একটা নির্বাচন চায়। আর এ থেকে দুই দলের  শিক্ষা গ্রহন করা উচিত যে দেশের মানুষ আসলে কি চায়।

গ্রন্থনা:এম.এইচ রনি