Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন, প্রাণহানি

শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে দিনের সাধারণ তাপমাত্রা রেকর্ড হারে নেমে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর দেশের সার্বিক তাপমাত্রা এতটা কখনো নামেনি। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে- ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে এর চেয়ে কম তাপমাত্রা হয়েছিল শ্রীমঙ্গলে ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেটা ১৯৬৮ সালে। সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ১৯৬৪ সালে এ রকম শীত পড়েছিল ঢাকায়। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, রাজধানীসহ দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে আরও দুই দিন। আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল পর্যস্ত বিস্তৃত। মৌসুমী লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। পাবনা, দিনাজপুর, সৈয়দপুর, টাঙ্গাইল ও কুষ্টিয়া অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে তীব্র এবং যশোর ও শ্রীমঙ্গল অঞ্চলসহ রাজশাহী, রংপুর ও ঢাকা বিভাগের ওপর দিয়ে মুদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে এবং আরও বাড়তে পারে। এদিকে, উত্তরের হিমেল হাওয়া আর হাড়কাঁপানো শীত দুঃস্থ মানুষকে কাহিল করে ফেলেছে। কাজ না থাকায় তাদের ঘরে নেই খাবার, শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষার নেই প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রও। বৃদ্ধ ও শিশুদের অবস্থা আরও করুণ। ঘন কুয়াশা আর তীব্র ঠাণ্ডার কারণে দিনের অনেকটা সময় ঘর থেকে বের হতে পারছেন না কর্মজীবী মানুষ। তারপরও সরকার, বিরোধী দল, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, জনসেবার নামে প্রতিষ্ঠিত এনজিও- কেউই তেমনভাবে শীতার্ত মানুষের সাহার্য্যে এগিয়ে আসছে না। ঠাণ্ডাজনিত রোগে ইতোমধ্যে কেবল খুলনা জেলাতেই মারা গেছে অন্তত ৮ জন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট