Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

দুদকের আট মামলা : সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

ঢাকা, ০৯ জানুয়ারি : অস্তিত্বহীন ও ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে প্রায় আট কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আটটি মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে দুদকের উপপরিচালক আবুল হোসেন, গোলাম মোস্তফা ও শফিকুল ইসলাম এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মঙ্গলবার দুপুরে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়টি জানানো হয়।
যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন-ওরিয়েন্টাল ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের (বর্তমান আইসিবি ইসলামী ব্যাংক) সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহ মোহাম্মদ হারুন, সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রেসিডেন্ট আবুল কাসেম মাহমুদ উল্লাহ, অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি) ফজলুর রহমান, এক্সিকিউটিভ অফিসার (ইও) তারিকুল আলম, সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদ হোসেন, ইভিপি কামরুল ইসলাম, ডিএমডি ইমামুল হক।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে ২৯ ডিসেম্বর রাজধানীর মতিঝিল থানায় অর্থ জালিয়াতির অভিযোগে ব্যাংকটির সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৩৪টি মামলা করে দুদক। দুদকের উপপরিচালক আবুল হাসান ও গোলাম হোসেন বাদী হয়ে এসব মামলা করেন। মামলাগুলোর মধ্যে আটটি মামলায় সাত কোটি ৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এ অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এ ছাড়া পাঁচটি মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুদক এবং বাকি ২১টি মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলছে।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে লোনের প্রলোভন দেখিয়ে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ডেকে এনে তাঁদের নামে ব্যাংকটিতে চলতি হিসাব খোলান। এরপর ব্যবসায়ীদের দিয়ে ঋণের কাগজপত্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়। এসব কাগজপত্রের মাধ্যমে আসামিরা কোটি টাকার লোন পাস করিয়ে নেয় ব্যাংকটি থেকে। এসব টাকা থেকে লক্ষাধিক টাকা করে ব্যবসায়ীদের দেওয়া হয় এবং বাকি টাকা আসামিরা আত্মসাৎ করেন। এ ছাড়া অস্তিত্বহীন ভুয়া প্রতিষ্ঠান দেখিয়েও তাঁরা এ টাকা আত্মসাত করেন।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি হাতে না পাওয়ায় এবং ব্যাংকারদের সহযোগিতা না পাওয়ায় অভিযোগপত্র দাখিলে বিলম্ব হয়।
আসামিদের গ্রেপ্তারের ব্যাপারে দুদক কর্মকর্তারা জানান, আসামিদের দুদকের পক্ষ থেকে নোটিশ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই নোটিশে তাঁরা হাজির হননি। তাই তাঁদেরকে মামলায় পলাতক দেখানো হয়েছে। দুদকের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের উপপরিচালক আবুল হোসেন বলেন, ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের এসব কর্মকর্তারা মিথ্যা সিআইবি রিপোর্ট, মিথ্যা অঙ্গীকারনামা তৈরি, ভুয়া পোস্ট ডেটেড চেক দাখিল করেন।