Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ফেলানী হত্যার দুই বছর, থামেনি বিএসএফ’র বর্বরতা

কুড়িগ্রাম: ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ’র নির্মমতার শিকার কিশোরী ফেলানীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি সকাল ৬টার দিকে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তের ৯৪৭ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের কাছে মানব পাচারকারীদের লাগানো মই বেয়ে কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে ভারত থেকে দেশে ফেরার সময় বিএসএফ ১৫ বছর বয়সী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করেছিল। এ সময় ফেলানীর মরদেহ আট ঘণ্টা কাঁটাতারে ঝুলে ছিল। তারপর পতাকা বৈঠক শেষে বিএসএফ লাশ ফেরত দেয়।

দেশ-বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এ শোকাবহ ঘটনা আজো ভুলতে পারেনি ফেলানীর গ্রামের মানুষ। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরাজ করছে ক্ষোভ আর প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ার আক্ষেপ। কলোনিটারীসহ আশপাশের গ্রামের মানুষ ফেলানীর বাড়িতে আসছে এবং কবর জিয়ারত করে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে।

ফেলানীর মৃত্যুর এক মাস পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন কলোনিটারী গ্রামে এসে ফেলানীর কবর জিয়ারত করেছিলেন। সে সময় তিনি ফেলানীর বাড়ির সামনের রাস্তা পাকা করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। আজো সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয়নি। এ নিয়ে এলাকার লোকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এদিকে, ফেলানী হত্যার পর সীমান্তে বিএসএফ’র নির্যাতন ও বর্ববরতা আরো বেড়ে গেছে। ২০১২ সালে বিএসএফ’র গুলি ও নির্যাতনে মারা গেছেন ৩৫ বাংলাদেশী। ২০১১ সালে মারা গেছেন ৩১ বাংলাদেশী। চলতি বছরের এই কয়েকদিনে বিএসএফ চারজনকে গুলি করে হত্যা করেছে। এছাড়া ধরে নিয়ে নির্যাতন করেছে ছয়জনের বেশি বাংলাদেশীকে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট