Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সর্বাত্মক হরতাল

ব্যাপক ধরপাকড় ও পুলিশি অ্যাকশনের মধ্যদিয়ে সারা দেশে ১৮ দলের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক হরতাল পালিত হয়েছে। রাজধানীতে বেশ কিছু গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ ও বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মোটর সাইকেলে এসে দুষ্কৃতকারীরা বিএনপি নেতা ও পুলিশকে কেন্দ্র করে ৪টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে। আগের দিনের গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ১১টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। হরতালের সমর্থনে মিছিল করার সময় খুলনায় মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল আলম ও রাজধানীতে খিলগাঁও বিএনপির সভাপতি ইউনুস মৃধাসহ সারাদেশে ৫ শতাধিক
নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ বিএনপির। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারদলীয় কর্মীদের হামলায় সারাদেশে সাড়ে ৬শ’ নেতাকর্মী পুলিশের লাঠিপেটা ও সরকারি দলের কর্মী-সমর্থকদের হামলায় আহত হয়েছে। হরতালে রাজধানীতে ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক কমিশনার আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার ও আবদুল লতিফসহ বেশ কয়েকজন নেতার বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া হরতালের প্রতিবাদে মিছিল করেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। রাজধানীর রাজপথ ছিল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দখলে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে ভোর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছিল পুলিশ, র‌্যাব ও সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। পিকেটিং দমাতে পান্থপথ, শাহবাগ, ধানমন্ডি ১৯, তেজগাঁও, খিলগাঁও, মিরপুরসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায় ২৫-৩০ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়। এ অবস্থায় প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল জনজীবন। রাজধানীর রাস্তায় যানবাহন চলাচল ছিল খুবই কম। দূরপাল্লার যানবাহনগুলোর চলাচল করেনি। তবে পুলিশি বাধার মুখে ১৮ দল নেতাকর্মীরা দখলে নিতে পারেনি রাজপথ। হরতালে নগরীর অধিকাংশ দোকানপাট খোলেনি। ঢিলেঢালাভাব ছিল প্রশাসনের কেন্দ্র সচিবালয়েও।
মোটর সাইকেলে এসে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। আজ বেলা আড়াইটার দিকে একটি মোটরসাইকেলে করে এসে দুই যুবক বিএনপি কার্যালয়ের গেটে পরপর ৪টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মেইন রোড দিয়ে চলে যায়। তবে পাশেই পুলিশ দাঁড়িয়ে ছিল। এ ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, এটা সরকারের ষড়যন্ত্র। আমাদের লক্ষ্য করেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এদিকে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের গেটে ককটেল বিস্ফোরণের পরপরই ফের ভাসানী ভবনের গলির মুখে পরপর ৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ তিনজনকে আটক করে। এদিকে হরতালের শেষ  বেলায় রাজধানীর আরামবাগে ৬টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।  বেলা তিনটার দিকে আরামবাগের নটর ডেম কলেজের কাছে এ ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ২টি ককটেল বিস্ফোরণ পুলিশের সামনেই ঘটানো হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ৪টার দিকে আরামবাগের একটি গলি থেকে স্বেচ্ছাসেবক দল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করে। মিছিলটি প্রধান সড়কে এসে নটর ডেম কলেজের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। এসময় চারটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে পুলিশ এলে আরও ২টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তারা আশপাশের গলিতে চলে যায়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। এদিকে দুপুরে টিএসসি থেকে উদ্ধার করা হয় ব্যাগে মোড়ানো দুটি হাতবোমা। শাহবাগ থানা পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এছাড়া সকালে মিরপুর কমার্স কলেজের সামনে ৪-৫টি হাতবোমার বিস্ফারণ ঘটে বলে এলাকাবাসী জানায়।
রাজধানীতে ৬ বাসে আগুন
২৫টি ভাঙচুর
হরতাল চলাকালে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে হরতাল সমর্থনকারীরা ২০-২৫টি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। পুড়িয়ে দিয়েছে ৬টি যানবাহন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল ভোর থেকেই কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরমধ্যেও মিরপুরে দুটি বাস ও শাঁখারীবাজারে একটি গাড়ি ও বাবুবাজারে একটি মাইক্রোবাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। জজকোর্ট, তেজগাঁও, পান্থপথ ও বাড্ডায় মিছিলকারীদের ওপর চড়াও হয়েছে পুলিশ। পুরান ঢাকায় বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মিছিলে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ একজোট হয়ে গুলি চালিয়েছে। তার আগে লাঠিচার্জ করেছে। এসময় ১০-১২ জন আইনজীবী আহত হন। পুরান ঢাকা, ফার্মগেইট, বনানী ও মিরপুর এলাকা থেকে অন্তত ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  সকাল ৬টার দিকে মিরপুর ৬ নম্বর বাজারের পাশে ইউনাইটেড পরিবহনের একটি বাসে হরতাল সমর্থকরা আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় ককটেলের বিস্ফোরণে বাসের চালক আহত হন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সময়ে তেজগাঁও কলেজের সামনে ছাত্রদলের কর্মীরা মিছিল বের করলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। রবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় বেশ কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার পর পুলিশ দুই জনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। পান্থপথ এলাকায় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া হয়। গুলশান লিংক রোডে হরতালের সমর্থনে ঝটিকা মিছিল বের হলে পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ কওে দেয় বলে বাড্ডার ওসি মাহাবুবুর রহমান জানান। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বনানী কাঁচাবাজারের কাছ থেকে দুই হরতাল সমর্থককে আটক করে পুলিশ। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাবুবাজারের দুম্বা মসজিদ এলাকায় হরতাল সমর্থকদের একটি ঝটিকা মিছিল চলার সময় একটি মাইক্রোবাসে আগুন দেয়া হয় বলে কোতোয়ালির ওসি জানান। এ সময় কয়েকটি হাতবোমা ফাটানো হয় এবং একটি কাভার্ড ভ্যান ভাঙচুর করে হরতালকারীরা। পরে পুলিশ এলে মিছিলকারীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করে পুলিশ। সকালে বাসাবোর কদমতলা এলাকাতেও ঝটিকা মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে হরতালকারীরা। এ সময় চটের বস্তায় আগুন দিয়ে রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে কোন পুলিশ ছিল না। সোয়া ১০টার দিকে ধানমন্ডি ৬ নম্বরের বেপজা কমপ্লেক্সের সামনে একটি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করে হরতাল সমর্থকরা। হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সকাল ও বিকালে চারটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ সময় বহিরাগত এক যুবককে আটক করে শাহবাগ পুলিশের হাতে সোপর্দ করে শিক্ষার্থীরা। সকালে রাজধানীতে বাসের সংখ্যা কম দেখা গেলেও প্রচুর রিকশা ও অটোরিকশা চলতে দেখা যায়। গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার বাস ছেড়ে না গেলেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল বলে রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
হরতাল সফল, দেশকে
মৃত্যু-উপত্যকায় পরিণত করেছে সরকার: তরিকুল
এদিকে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ‘শতভাগ’ সফল হওয়ার দাবি করে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আপদকালীন সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম বলেছেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ১৮ দলের হরতাল শতভাগ সফল। জনগন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ হরতালে অংশ নিয়েছে। হরতালে সারাদেশে পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডার বাহিনী বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। জনগণকে বিরোধী দলীয় নেতার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ঢাকা মহানগর বিএনপির ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদককে হত্যার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বিরোধীদল বিএনপি। হরতাল শেষে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার বিকালে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, শনিবার রাতে হাতকড়া লাগানো কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ঢাকার ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মজুমদারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তরিকুল ইসলাম বলেন, শ্বশুর বাড়ি থেকে শনিবার রাতে র‌্যাব ধরে নিয়ে যাওয়ার পর রাতে হাতকড়া লাগানো অবস্থায় রফিকুল ইসলাম মজুমদারের লাশ পাওয়া গেছে। হাতকড়ায় বাংলাদেশ পুলিশ খচিত মনোগ্রাম ছিল। এ পর্যন্ত ১৫৬ জনকে গুম করা হয়েছে। সরকার সারাদেশকে একটি মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত করেছে। এক প্রশ্নের জবাবে তরিকুল বলেন, হরতাল করতে চায় না বিএনপি। কিন্তু চূড়ান্ত ফ্যাসিবাদী এই সরকারের বিরুদ্ধে হরতালের মতো চূড়ান্ত কর্মসূচি কোন বিকল্প থাকছে না।  হরতাল প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, উনার বয়স এখন আশির ওপরে। এই বয়সের মানুষ কিছু বললে তার জবাব দেয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের পিতা-মাতারাও বয়সকালে এ ধরনের অনেক কথাই বলতেন, আমরা কিছু মনে করতাম না। তরিকুল বলেন, অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য শুনে মনে হয়- ড. কামাল হোসেন, ড. আকবর আলী, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য কেউই পড়াশোনা জানেন না। পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, দলীয় ফোরামে আলোচনা করে কর্মসূচি ঠিক করা হবে। আপনাদের (সাংবাদিকদের) কোন সাজেশন থাকলে বলেন, আমরা বিবেচনা করবো। এর আগে সকালে কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তরিকুল ইসলাম বলেন, গতকাল বিকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনায় বিএনপির কোন নেতা-কর্মী জড়িত নন। তিনি বলেছেন, সরকারের এজেন্ট ও সন্ত্রাসী বাহিনী এসব ঘটনা ঘটিয়েছে, যাতে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের নামে মামলা দেয়া যায়। এই ধরনের কোন নির্দেশ বা আহ্বান বিএনপির পক্ষ থেকে ছিল না। যদি থাকতো তবে আজ সকাল থেকেই সারা দেশে এ ধরনের বহু ঘটনা ঘটতো। তিনি বলেন, হরতালের মধ্যেও সকাল থেকে রাজধানীর রাস্তায় কিছু রিকশা ও অটোরিকশা চলছে। বিএনপি কর্মীরা তাতে বাধা সৃষ্টি করছে না। তবে বেশির ভাগ যানবাহনই বের হয়নি। দোকানপাটও বন্ধ রয়েছে। এই হরতাল স্বতঃস্ফূর্ত, এটাই তার প্রমাণ। সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে। নৈরাজ্য থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য অবিলম্বে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে জনপ্রিয়তা যাচাই করুন। দলীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ ব্রিফিংয়ে দলের যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু, রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, মহানগর সদস্য সচিব আবদুস সালাম, বিরোধীদলীয় এমপি হারুন অর রশীদ, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আখতার রানু,  সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, নিলোফার চৌধুরী মনি, শাম্মী আখতার, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু ও শিরিন সুলতানা নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ছাত্রলীগের হরতালবিরোধী মিছিল
বিরোধীদলের ডাকা হরতাল ঠেকাতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোকে মিছিল করতে দেখা গেছে। রাজধানীতে হরতালের পক্ষে তারা মূল সড়কে বড় ধরনের কোন মিছিল বের করতে না পারলেও সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এবং আশে-পাশের এলাকায় হরতাল বিরোধী মিছিল করে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা। সকাল ১১টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে দিয়ে বাংলাদেশ বামফ্রন্ট একটি হরতালবিরোধী মিছিল নিয়ে যায়। বেলা ১২টার পর মগবাজার যুবলীগও একটি হরতালবিরোধী মিছিল বের করে।
আইনজীবীদের সঙ্গে
যুবলীগের সংঘর্ষ
হরতালে পুরান ঢাকায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ও যুবলীগ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর সোয়া ১টায় জজকোর্ট থেকে আইনজীবী ফোরামের সদস্যরা মিছিল নিয়ে বের হলে ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের কর্মীরা তাদের বাধা দেয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে বাক বিতণ্ডার এক পর্যায়ে ঢিল  ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শটগানের ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরপরই দলের নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। পরদিন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম হরতালের ঘোষণা দেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট