Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণ : ৪ সাংবাদিককে পেটালো ছাত্রলীগ

, ঢাকা, ০৫ জানুয়ারি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে চারজন সাংবাদিককে পিটিয়েছে ছাত্রলীগ। পরে শাহবাগ থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন- প্রথম আলোর হাসান রাজা, বাংলা নিউজের হারুন অর রশিদ রুবেল, রয়টার্সের এন্ড্রু বিরাজ ও নিউ এইজের সনি রামানি।
শনিবার বিকেলে ভিসির বাসভবন, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ও এসএম হলের সামনের এলাকাসহ ক্যাম্পাসের কয়েকটি স্থানে পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের মারধর করে।
পঞ্চমবারের মতো জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে রোববার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে ১৮ দল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আমজাদ আলী বলেন, “হরতাল সমর্থনকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।”
তিনি বলেন, “এস এম হলে ককটেল বিস্ফোরণের পর সেখানে কয়েকজনকে পিকেটার ভেবে কে বা কারা মারধর করে। তারা সাংবাদিক কি না তা জানি না।”
ভুক্তভোগী সাংবাদিক হারুন অর রশিদ রুবেল জানান, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পরও তারা ক্ষান্ত হয়নি।
সাংবাদিক সনি রামানি বলেন, “আমরা রাজারবাগ পুলিশ লাইনের কাছাকাছি ছিলাম। পলাশীতে আগুন লেগেছে শুনে সেদিকে যাওয়া শুরু করি। আমাদের মোটরসাইকেল এসএম হলের কাছে গেলে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।”
এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ছুটে এসে তাদের মারধর করতে থাকে। সনি রামানি জানান, এ সময় শাহবাগ থানা পুলিশ তাদেরকে গাড়িতে উঠতে বলে। ইতিমধ্যে রমনা জোনের ডিসি নুরুল ইসলাম এসে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।
নূরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেসময় পরিস্থিতি ঘোলাটে ছিল। তা স্বাভাবিক করতেই সাংবাদিকদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। ঘটনার সময় শাহবাগ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম ও কয়েকজন পুলিশসদস্য উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান তিনি।
খবর পেয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা থানায় যান। থানার গেটে অবস্থান নিয়ে তারা ঘটনায় জড়িতদের জোরালো দাবি জানাতে থাকেন।
সাংবাদিকরা জানান, তাদের কাছে মারধরকারীদের ছবি আছে। ছবি দেখে জড়িতদের শনাক্ত করে পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাদের কাছে শাস্তির দাবি জানান তারা।
শাহবাগ থানায় যান ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফ।
তারা সংগঠনটির কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেন।
তবে নিজেদের দাবিতে অনড় থাকেন সাংবাদিকরা। সন্ধ্যা থেকে সাংবাদিকরা গেটের সামনে অবস্থান করতে থাকেন। এক পর্যায়ে রাত পৌনে নয়টায় ছাত্রলীগনেতা মেহেদী ও শরীফ আশ্বাস দেন, জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এ সময় তারা অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট