Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ওঝা মরে সাপের কামড়ে : খালেদা জিয়ার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

, ঢাকা, ০৪ জানুয়ারি : বিরোধীদলীয় নেত্রীকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঝাঁপি মাথায় নিয়ে যতই সাপদের বাঁচাতে চান, পারবেন না।’ তিনি বলেন, ‘উনি যে বিষধর সাপদের বাঁচাতে চাচ্ছেন, ওদের দংশনেই ওনার ভয়াবহ পরিণতি হবে। বিরোধীদলীয় নেত্রীকে বলব, ওঝা মরে সাপের কামড়ে।’ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে ছাত্রলীগের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সৌজন্য সাক্ষাত করতে গেলে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করলে কখনোই পেছনে পড়তে হবে না। আর অর্থ-বিত্তের লোভ থাকলে জীবনেও উন্নতি হবে না । সম্পদ যখন বড় হয়, তখনই রাজনীতিবিদরা ব্যর্থ হয়।’ তিনি ছাত্রলীগের উদ্দেশে বলেন, রাজনীতি করতে হলে ইতিহাস জানতে হবে, পড়তে হবে, নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। ছাত্ররাজনীতির সম্মান ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে। সংগঠন করার অর্থ এই নয়, লেখাপড়া বিসর্জন দিতে হবে। সোজাপথে বড়লোক হওয়ার চিন্তা করা আওয়ামী লীগের নীতি আদর্শের পরিপন্থী।
শেখ হাসিনা বলেন, গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না। ক্ষমতা যাতে জনগণের হাতে যায়, সে জন্যই আওয়ামী লীগের রাজনীতি। যখনই একটা অর্জন আসে, তখন নানা চক্রান্ত শুরু হয়, কিভাবে অর্জনগুলো নস্যাত করা যায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতাকে আমরা ব্যবসা হিসেবে দেখি না, দেখি জনসেবার সুযোগ হিসেবে। যখন দেশে গণতন্ত্র এনেছি, তখন একটা স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র চালাতে থাকে। স্বার্থান্বেষী মহল বাংলাদেশের দুটি ধারার সুবিধা পায়। একটা সেনাবাহিনীর সরকার, আরেকটা হলো সেনা সমর্থিত সরকার। এরা ক্ষমতায় এলেই স্বার্থান্বেষী মহল সুবিধা পায়, ফ্ল্যাট পায়। তারা কখনোই সুষ্ঠু গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত থাক এটা চায় না। তাহলে নাকি মূল্যায়ন থাকে না। তাদের মূল্যায়ন থাকে চোরাপথে ক্ষমতায় আসতে পারলে।’
বিগত জামায়াত-বিএনপি জোট সরকারের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপির ধারণা ছিল টাকা-পয়সা আর কিছু গুণ্ডা পালন করলেই নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া যায়, চিরদিন ক্ষমতায় থাকা যায়।’
সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ছাত্রলীগ সভাপতি এ এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুর রহমান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, ডি এম মোজাম্মেল হক, মিজবাহ উদ্দিন সিরাজ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, উপসম্পাদক জহির উদ্দিন মাহমুদ লিটন, গোলাম সারওয়ার কবির। ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সামছুল কবির রাহাত, দপ্তর সম্পাদক শেখ রাসেল। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সিদ্দিকী নাজমুল আলম।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট