Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বক্তব্য প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের লিগ্যাল নোটিশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নোটিশে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া একটি বক্তব্যকে মিথ্যা অভিহিত করে ক্ষমা চেয়ে তা প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। ২৮ দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য প্রত্যহার না করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলা হয়েছে এতে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের পক্ষে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন আজ দুপুরে এ নোটিশটি পাঠান। ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন মানবজমিনকে জানিয়েছেন, রেজিস্ট্রি ডাক ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ঠিকানায় এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, গত ১লা ডিসেম্বর মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া বলেছেন তার ছেলেরা নাকি সৎ জীবনযাপন করে। যেদিন তিনি এ কথা বললেন, সেদিনই তার ছেলেদের মানিন্ডারিংয়ের টাকা দেশে ফেরত এসেছে। এ মামলা আওয়ামী লীগ সরকার করেনি। মামলা হয়েছে আমেরিকার কোর্টে। এই এলাকার অনেকেই প্রবাসে থাকেন। আপনারা একটু খোঁজ নিয়ে দেখেন, তার ছেলে লন্ডনের কোন এলাকায় থাকে। কি গাড়ি ব্যবহার করে। কি রকম বিলাসবহুল জীবন যাপন করছে। কোথা থেকে এ টাকা আসে। দুর্নীতি ছাড়া এতো টাকা কোথা থেকে আসবে। তার ছেলেরা বিদেশে রেস্টুরেন্ট করেছে। বাড়ি করছে। দামি গাড়ি কিনছে। ভাঙ্গা সুটকেস  থেকে কি এসব টাকা বের হচ্ছে? বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে মানিলন্ডারিং করে এসব টাকা পাচার করে এখন লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছে তারেক।’ নোটিশে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত এসব প্রতিবেদন পড়ে মনে হয়েছে শেখ হাসিনা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মানহানিমূলক বক্তব্য এবং অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। তার সুনাম ক্ষুণেœর উদ্দেশ্যে এই বক্তব্য দেয়া হয়েছে। তারেক রহমান অর্থ পাচার বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক তার কোনো টাকা ফেরত আনেনি। যুক্তরাষ্ট্রেও তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে কোনো মামলা হয়নি। লন্ডনে তার কোনো রেস্তোরাঁ বা বাড়ি নেই। শুধু চিকিৎসার জন্যই তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং খুবই সাধারণ জীবন যাপন করছেন। নোটিশে বলা হয়, বিদেশে তারেক রহমানের স্বনামে-কোন স্বজনের নামে বা অন্য কারো নামে কোনো সম্পত্তি নেই। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি পূর্ণ সততা, স্বচ্ছতা এবং আন্তরিকতা দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেছেন। উপরন্তু তিনি নিয়মিত কর দেন এবং তার কোনো গোপন সম্পত্তি নেই। তিনি কখনো কোনো দুর্নীতি বা মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্য প্রতাহার না করলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী, দেওয়ানী এবং অন্যান্য আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট