Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

২০১২ সালটা বাংলাদেশে দুর্নীতির বছর হিসাবে খ্যাতি পেয়েছে : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

 নিউজডেস্ক : মন্ত্রীদের দুর্নীতি, পদ্মা সেতু ও হলমার্ক কেলেঙ্কারীর কথা উল্লেখ করে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, ২০১২ সালটা বাংলাদেশে দুর্নীতির বছর হিসেবেই খ্যাতি পেয়েছে।

রোববার চ্যানেল আইয়ের মধ্যরাতের আজকের সংবাদপত্র অনুষ্ঠানে ড. দেবপ্রিয় বলেন, ‘দুঃখের বিষয় হল সব কিছুকে ছাপিয়ে কেন জানি ২০১২ সালটা দুর্নীতির বছর হিসাবে খ্যাতি পেয়েছে। বিশেষ করে হলমার্ক কেলেঙ্কারি, দুর্নীতির অভিযোগে পদ্মাসেতু প্রকল্প অনিশ্চিত হয়ে যাওয়ার বিষয়টি সরকারকে চাপের মধ্যে ফেলেছে। এছাড়া রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত দুর্নীতির খবর আমাদের বেশ ভাবিয়ে তুলেছে।’

অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।

তবে ড. দেবপ্রিয় বলেন, ২০১১ সালের তুলনায় ২০১২ সালে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) কিছুটা বেগবান হয়েছে। বৈদেশিক বিনিয়োগের হারও সামান্য বেড়েছে, যদিও রপ্তানির হার অনেকটা নিস্তেজ অবস্থায় আছে। তবে রেমিটেন্সের প্রবাহ সচল থাকায় অর্থনৈতিক ভারসাম্য এসেছে।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, যেটি নিয়ে সমস্যা দেখছি তা হল, মেয়াদের শেষের দিকে এসে সরকার আবার ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া শুরু করেছে। আবার জ্বালানির দাম বাড়ানো হলে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা রয়েছে।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, রপ্তানি বানিজ্য চাঙ্গা না হওয়ার একটা আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারণ, মার্কিন সিনেটে বাংলাদেশের শ্রম বাজার নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছে।

কৃষি খাতের কথা উল্লেখ করে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এ বছর একটা ইতিবাচক দিক লক্ষ্য করা গেছে যে দেশের কৃষি পন্যের কিছুটা সুষম বন্টন হয়েছে। তবে বিদ্যুত উতপাদনের ক্ষেত্রে আমরা তেমন সাফল্য দেখাতে পারিনি। এছাড়া কুইক রেন্টালের মত ব্যয়বহুল ব্যবস্থাপনা থেকেও আমরা বেরিয়ে আসতে পারিনি। আরেকটা সমস্যা দেখা দিয়েছে, এবার কৃষক তাদের উতপাদনের বিপরীতে ততটা ন্যায্য মূল্য পায়নি। ফলে আগামী বছর বোরো ও আমন মৌসুমে খাদ্য উতপাদনে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড, গুম- এ সমস্ত বিষয় সারা বছর বেশ উতকন্ঠার মধ্যে রেখেছে আমাদের। রাজনীতিতে গুনগত কোন পরিবর্তন হয়নি। অবাক লাগে যখন দেখি বিশ্বজিতের মত নিরীহ মানুষকে রাজনৈতিক সক্রিয়তা প্রমানের জন্য কুপিয়ে মারা হয়। তখন প্রশ্ন উঠে এ রাজনীতি মানুষের কতটা উপকারে আসছে!

তিনি বলেন, পররাষ্ট্র নীতিতেও আমরা তেমন সাফল্য দেখাতে পারিনি। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কে একটা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। ভারতের সাথে তিস্তা পানিবণ্টন ও সীমান্ত বিষয়েও আমরা একটা ফলাফলে আসতে পারিনি।

গ্রন্থণা:এম.এইচ রনি

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট