Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

প্রধানমন্ত্রীকে ‘বিকৃত মস্তিষ্ক’ বললেন খালেদা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘বিকৃত মস্তিষ্ক’ আখ্যা দিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেছেন, এমন বিকৃত মস্তিষ্কের নারী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন না। এ প্রধানমন্ত্রী লগিবৈঠা দিয়ে মানুষ খুন করিয়েছেন। গানপাউডার দিয়ে গাড়িতে আগুন লাগিয়েছেন। একটি লাশের পরিবর্তে দশটি লাশ চেয়েছেন। বিশ্বজিৎকে তার ছেলেরা (ছাত্রলীগ) মেরেছে।

বুধবার ১৮ দলের সরকার বিরোধী দিনব্যাপী গণসংযোগে খিলগাঁওয়ের বালুরমাঠে চতুর্থ পথসভায় দেওয়া বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘‘তাদের নির্দেশেই যেহেতু এসব হয়েছে তাই তারা রক্ষা পাবেন না।’’

“সংসদে বিল এনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনলে সরকারের বাকি মেয়াদে বিরোধী দল আর কোনো আন্দোলনে যাবে না” বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

খালেদা বলেন, ‘‘এ সরকারের আমলে কোনো বিচার পাওয়া যাবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হুকুম দিয়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগকে অস্ত্র দিয়ে রাস্তায় নামিয়েছেন। কুপিয়ে বিশ্বজিৎকে হত্যা করিয়েছেন।”

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “কিভাবে একটা মানুষকে এভাবে হত্যা করেছে! কি দোষ ছিলো তার, তিনি একজন পথচারী ছিলেন। এখন হত্যাকাণ্ড ভিন্ন খাতে নিতে পোস্টমোর্টেম নিয়ে রাজনীতি চলছে। তারা তদন্তে বলেছে, বিশ্বজিতের শরীরে নাকি কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এটা জনগণের সঙ্গে কতোখানি বেঈমানি।”

খালেদা জিয়া বলেন, “বিশ্বজিতের রক্ত দিয়ে যে আন্দোলনের শুরু হয়েছে, বিশ্বজিতের বিচার দিয়েই তার বিচার হবে।”

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘সংবিধান অনুয়ায়ী এটা (তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা) বাতিল করতে পারেন না। আইনভঙ্গ করে আপনারা এটা করেছেন।”

বিএনপি প্রধান বলেন, ‘‘এতোবড় ঢাকা শহর। কিন্তু মিছিলের কোনো জায়গা নেই। একটা ছিলো পল্টন ময়দান, তাও বন্ধ করা হয়েছে,যাতে বিরোধী দল সভা-সমাবেশ করতে না পারেন।’’

তিনি বলেন, ‘‘যেখানে টাকা সেখানেই আ’লীগ।  তারা ক্ষমতায় এলে খুনখারাবি বেড়ে যায়। নতুন বাহিনী তৈরি করে। এবারও সেই বাহিনী তৈরি করছে। এবার আওয়ামী লীগকে তাদের অতীত ও বর্তমানের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।’’

সমবেত প্রবীণ, পেশাজীবীসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষদের উদ্দেশ্য করে খালেদা বলেন, ‘‘আমরা শান্তি চাই। এ আ’লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে।”

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘‘আপনাদের আর কতো টাকা দরকার। যতো টাকা আপনারা বানিয়েছেন তা ভোগ করার সময় পাবেন না। যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছি-এমন মিথ্যা অপবাদ দেবেন না। যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে আপনারাই ছিলেন।”

“আমাদের আন্দোলন জনগণের স্বার্থে” বলেও মন্তব্য করেন বিরোধী দলনেতা।

তত্ত্বাবধায়কের দাবিতে আপনারাই জামায়াতকে নিয়ে একসঙ্গে আন্দোলন করেছিলেন। এখন আপনাদের দুঃখ জামায়াত আপনাদের সঙ্গে নেই। আবার আপনারা জামায়াতকে বুকে টানতে চাইছেন। যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-বিএনপি নয়। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই যুদ্ধাপরাধী।”

“সাহারা খাতুন কবে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন” প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “এখন দেখছি আপনাদের ছাড় দিয়ে ভুল করেছিলাম। আপনাদের ছাড় দেওয়া ঠিক হয়নি।”

খালেদা জিয়ার বক্তব্যের আগে খিলগাঁও বালুর মাঠের পথসভায় বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, যুগ্ম-মহাসচিব আমানুল্লাহ আমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুজিবুর রহমান, ঢাকা মহানগরের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল শফিকুল ইসলামসহ ১৮ দলীয় জোটের নেতারা।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট