Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

গণসংযোগে নগরজুড়ে দুর্ভোগ, উৎকণ্ঠা

ঢাকা: নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়কসহ বিভিন্ন দাবিতে ১৮ দলীয় জোটের গণসংযোগে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে রাজধানী। সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে গণপরিবহন থাকলেও প্রাইভেটকার দেখা যায়নি। রাজধানীবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অন্যান্য দিনের তুলনায় রাস্তায় নগরবাসীর উপস্থিতিও কম।

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল ছাড়াও দ্রব্যমূল্য কমানো, জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সব রাজবন্দির মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বুধবার সকাল থেকে গণসংযোগ করছে ১৮ দল।

এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গাবতলী, মৌচাক, মালিবাগ, মগবাজার, পল্টন, কাকরাইল, মতিঝিল, আরামবাগ, শাহবাগ প্রায় যানশূন্য হয়ে পড়েছে। গণপরিবহন থাকলেও প্রাইভেটকার নেই। জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের কোনো মিছিলে বাধা দিচ্ছে না। বরং তারা সহযোগিতা করছে।

সকাল সোয়া ১১টার পর গাবতলীর এসএ খালেক মাঠে বক্তৃতা করেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও ১৮ দলীয় জোটনেত‍া খালেদা জিয়া। গাবতলীর পথসভায় বক্তব্য শেষে কারওয়ানবাজার, যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ ও ভাটারায় আরো চারটি পথসভায় বক্তৃতা করার কথা খালেদার।

গণসংযোগের কারণে সকালেই ঢাকার অন্যতম প্রবেশপথ গাবতলী অচল হয়ে পড়ে। হাজার হাজার নেতাকর্মী গাবতলীর বিভিন্ন দিক থেকে আসায় এখানকার প্রধান সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এ কারণে ঢাকার বাইরে থেকে আসা গাড়িগুলো প্রবেশ করতে পারছে না। মহানগরী থেকে কোনো যানবাহনও গাবতলী এলাকা পার হয়ে বাইরে যেতে পারছে না।

গাবতলীর পথসভা শেষে খালেদা জিয়া কারওরান বাজারের বক্তৃতা করেন। আগে থেকেই কারওয়ান বাজারে পথসভায় যোগ দিতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিকদল, জাসাসসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে জড়ো হন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার-পোস্টার শোভা পাচ্ছে নেতাকর্মীদের হাতে। পথসভায় যোগ দিতে জামায়াত ও শিবির নেতাকর্মীরাও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া দলের শীর্ষ নেতাদের ছবির সঙ্গে তাদের মুক্তির দাবি সম্বলিত ব্যানার-পোস্টার নিয়ে মিছিল সহকারে জড়ো হন। এছাড়া জাগপা ও ১৮ দলের নেতাকর্মীরাও এসে জড়ো হন এখানে।

কারওয়ান বাজারের পোট্রোবাংলা অফিসের সামনে রাজধানীর তেজগাঁও, ফার্মগেট, আগারগাঁও, রমনা, শাহবাগ, মগবাজার প্রভৃতি এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা পথসভাস্থলে আসেন।

দুপুরে যাত্রাবাড়ীতে বক্তৃতা করবেন খালেদা জিয়া। সেখানকার শহীদ ফারুক সড়কে মঞ্চ তৈরি
করায় ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বেলা ১২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথসভার কাজ শুরু হয়। এর ফলে এ পথ দিয়ে বাইরে থেকে যানবাহন যেমন ঢুকতে পারছে না, তেমনি বাইরেও যেতে পারছে না। সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল হচ্ছে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড়ে।

দুপুরের পর খিলগাঁও সবুজবাগ বালুর মাঠে বক্তৃতা করবেন খালেদা জিয়া। সেখানেও দলে দলে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে আসছেন। যান চলাচল অনেকটা কম। রাস্তায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিভন্ন নেতার ছবি সম্বলিত ব্যানার টানানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান নিয়েছেন। শীর্ষ নেতাদের মুক্তির দাবিতে ব্যানার-পোস্টার টানিয়েছে জামায়াত।

বিকেলে সর্বশেষ ভাটারায় বক্তব্য রাখবেন খালেদা জিয়া।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট