Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

আহমদ জিয়াউদ্দিনের অশোভন ও নীতিবিবর্জিত কাজ করেছেন : ঘাদানিক

, ঢাকা, ২৪ ডিসেম্বর : যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনাল-১ এর সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ নিজামুল হক নাসিম এবং প্রসিকিউশনকে আইনি সহায়তা দিয়ে বেলজিয়ামে বসবাসকারী আইনজীবী ড. আহমেদ জিয়াউদ্দিন ‘প্রফেশনাল মিসকনডাক্ট’ করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি (ঘাদানিক) । ঘাদানিকের নেতারা  জিয়াউদ্দিনের বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করার দাবি জানান।
সোমবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে বহুমাত্রিক চক্রান্ত প্রতিরোধে সরকার ও নাগরিক সমাজের করণীয়’ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, নিজেকে আন্তর্জাতিক সুনামখ্যাত আইনজীবী দাবি করার পরেও ড. জিয়াউদ্দিন কেন একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং প্রসিকউশনকে আইনি সহায়তা দিয়েছেন, তার তদন্ত হওয়া জরুরি । ড. জিয়াউদ্দিনের এই আচরণ এবং ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া, অন্যান্য বিচারক, আইনজীবী, সাক্ষী ও সরকার সম্পর্কে অনভিপ্রেত মন্তব্যের কারণে জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থকরা ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করতে উতসাহী হয়েছে। তাই জিয়াউদ্দিন আইনবিরোধী কিছু না করলেও, যা করেছেন তা অশোভন ও নীতিবর্জিত। শাহরিয়ার কবির বলেন, যদি আহমেদ জিয়াউদ্দিন সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হন, তাহলে সরকারকে এবং ড. জিয়াউদ্দিনকে ত্রা পেশাগত অবস্থান স্বচ্ছ করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মুনতাসির মামুন পুরো বিচার প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়হীনতা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে সরকারের নমনীয় অবস্থানের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, সরকারের কোনো কোনো মন্ত্রী প্রায়ই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন। বাস্টøবতা হলো এটি কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়। বিচারের বিষয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের উপদেষ্ঠা এবং সাবেক বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম বলেন, দৈনিক আমার দেশ বিচারপতি নিজামুল হক এবং জিয়াউদ্দিনের স্কাইপ সংলাপের খবর প্রকাশ করে দেশের প্রচলিত আইন লংঘন করেছে। তিনি বলেন, কারো ব্যক্তিগত আলাপচারিতা হ্যাকিং করলে তার জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর জেল অথবা এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। এমনকি আমার দেশ পত্রিকা নিজেরা হ্যাকিং না করে অন্য কারো কাছ থেকে নিয়ে সংবাদটি প্রচার করলেও তারা একই অপরাধে অভিযুক্ত হবে। কেননা চুরি করা এবং চুরির মাল বিক্রি করা সমান অপরাধ।

সংবাদ সম্মেলনে ঘাতক দালাল নির্মহৃল কমিটি ট্রাইব্যুনালকে রক্ষা করতে হলে গোটা ট্রাইব্যুনাল এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া, আমার দেশে প্রকাশিত স্কাইপ হ্যাকিং সম্পর্কে উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত করা, ট্রাইব্যুনালের প্রসিকউশনে আরো দক্ষ আইনজীবী নিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আইনজীবীদের নিয়ে প্রসিকউশনের জন্য একটি উপদেষ্ঠামণ্ডলী গঠনের দাবি জানায়। পাশাপাশি সংসদে আইন পাশ করে ট্রাইব্যুনালকে স্থায়ী এবং প্রশাসনিকভাবে স্বাধীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার দাবি জানানো হয়, যাতে সরকার পরিবর্তন হলেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ না হয়।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট