Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

৪ হাজার পয়েন্ট ছাড়িয়েছে ডিএসই সূচক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার: সপ্তাহের শেষ দিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচকে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। গতকাল লেনদেন শেষে ডিএসইতে ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ায় সাধারণ সূচক বেড়েছে ২০১ পয়েন্ট। লেনদেনের শুরুতে সূচকের ওঠানামা চললেও শেষ পর্যন্ত বাড়তি দিয়ে লেনদেন শেষ হয়। এর ফলে আবারও দেশের বৃহত্তম পুঁজিবাজার ডিএসইর সূচক ৪ হাজার পয়েন্টে ছাড়ালো। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসায় বাজার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশে কার্যরত সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকের খবর বাজারে প্রভাব ফেলেছে অনেকেই মনে করছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী সবগুলো ব্যাংকে এর আগে যে লাভ করেছিল তা আবারও বাজারে বিনিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছে এমন গুজবও বাজারে প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। বাজার বিশ্লেষণে জানা গেছে, গতকাল সকালে লেনদেনের শুরুতে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। গতকাল লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিটে ডিএসইর সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪২ পয়েন্ট কমে যায়। পরের পাঁচ মিনিটে অর্থাৎ ১১টা ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর্যন্ত হারানো সূচক অনেকটা উদ্ধার হয়। বেলা সোয়া ১১টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৮০০ পয়েন্টে, সাড়ে ১১টায় ৩৭ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৭৭২ পয়েন্টে নেমে আসে। পরে ঊর্ধ্বমুখী হয় সূচক। পৌনে ১২টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৮২১ পয়েন্টে, দুপুর সাড়ে ১২টায় ৫৪ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৮৬৩ পয়েন্টে, ১টায় ৯৭ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৯০৭ পয়েন্টে, সোয়া ১টায় ১০৭ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৯১৭ পয়েন্টে ও আড়াইটায় ২২০ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৩০ পয়েন্টে উঠে আসে। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর সাধারণ সূচক ২০১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ১০ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। দিন শেষে ডিএসইতে মোট ২৫৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৪৯টি প্রতিষ্ঠানেরই দাম বেড়েছে, কমেছে ৮টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইতে ২২৪ কোটি টাকার শেয়ারের লেনদেন হয়েছে।
অন্যদিকে গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ৩১৯ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৪৫৫ পয়েন্টে উঠে এসেছে। লেনদেন হয়েছে মোট ৩৯ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৭২ লাখ ৭১ হাজার ৭০৫ দশমিক ৫০ টাকা কম। লেনদেনকৃত ১৮২টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৩টির কমেছে ৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১টি কোম্পানির শেয়ারের। ডিএসইতে গতকাল লেনদেনের ভিত্তিতে ডিএসইর শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- এনবিএল, গ্রামীণফোন, বেক্সিমকো, ইউনাইটেড এয়ার, বীকন ফার্মা, এসআইবিএল, সামিট পাওয়ার, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, আরএন স্পিনিং ও লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স। দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানিটি হলো- জেমিনি সী ফুড, সামিট পাওয়ার, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল, কেপিসিএল, ফু-ওয়াং ফুড, অগ্নি সিস্টেম লি., বেক্সিমকো সিনথেটিকস্‌, গ্লোবাল ইন্স্যু., ৮ম আইসিবি ও বিডি ল্যাম্পস। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- ১ম প্রাইম ফাইন্যান্স মিউ. ফান্ড, লিবরা ইনফিউশন, বার্জার পেইন্ট, সমতা লেদার, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লি. ১ম মিউ. ফান্ড, বাটা সু, আইবিবিএল পি বন্ড, সাউথইস্ট ব্যাংক ১ম মিউ. ফান্ড, ব্র্যাক সেকেন্ট বন্ড ও সাভার রিফ্রেক্টরিজ।
এদিকে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৬৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ট দেয়ার সুপরিশ করেছে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। ২০১১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর সমাপনী বছরের জন্য এ লভ্যাংশ সুপারিশ করা হয় বলে বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১৯শে মার্চ বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের ‘হল অব ফেইম’-এ অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ ফেব্রুয়ারি। ডিএসই ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, সমাপনী বছরে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের ১০ টাকার প্রতিটি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ৭ পয়সা। শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ২৫ টাকা ২ পয়সা। ব্যাংকিং খাতের এ কোম্পানিটি ২০১০ সালের সমাপনী বছরে ৯৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ট ঘোষণা করেছিল।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট