Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone
শেখ হাসিনা
আসুন আমরা এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করি
খালেদা জিয়া
আমি বিশ্বাস করি ধর্য ছাড়া রাজনিতি সম্ভব নয়
ঢাকা: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারব্যবস্থা নিয়ে বিরোধী দল বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন মহল থেকে যেসব বক্তব্য দেয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে ২৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে সরকার। ওই দিন বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, “জামায়াতসহ বিরোধী দলের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনাল নিয়ে যেসব বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে ও ষড়যন্ত্র চলছে, সে বিষয়ে আমরা সরকারের অবস্থান জানাব। আইনের শাসনের জন্যই এটা করা হবে।”
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, যারা মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনেই পদক্ষেপ নেয়া হবে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, “যারা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে চায়, তারাই এর বিচার প্রক্রিয়া এবং রায় নিয়ে নানান গুজব ছড়াচ্ছে। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করা হবে। পত্রিকা, দল বা গোষ্ঠী, যেই এতে জড়িত থাকুক, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।”
হাসানুল হক ইনু বলেন, “বিচারাধীন এই বিষয় নিয়ে বাইরে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। আমরা ২৬ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে সরকারের অবস্থান তুলে ধরবো। জনগণ যেন এ নিয়ে বিভ্রান্তিতে না পড়ে, সেজন্য বিষয়টি পরিষ্কার করা হবে।”
স্কাইপে আইন বিশেষজ্ঞ আহমেদ জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে কথোপকথনের জের ধরে ওঠা বিতর্কের মুখে ১১ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ান বিচারপতি নিজামুল হক। আসামিপক্ষ তখনই জানিয়েছিল, তারা বিচারাধীন মামলাগুলো পুনর্বিচারের আবেদন করবে। দুই দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হলেও বিচারকাজ তেমন এগোয়নি। এর মধ্যে এক দিন নিজামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের দ্বিতীয় সাক্ষী জবানবন্দি দেন। তাকে আসামিপক্ষের জেরা বাকি আছে। বাকি মামলাগুলোর কার্যক্রমও আর এগোয়নি।
এদিকে আইনে পুনর্বিচারের বিধান নেই। তার পরও গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন জামায়াতে ইসলামীর তিন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা পুনর্বিচারের আবেদন জমা দিয়েছে আসামিপক্ষ। বিচারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা বিচার বিলম্বিত বা বানচাল করার অপকৌশল। বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১-এ গতকাল জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমের বিরুদ্ধে মামলা পুনর্বিচারের আবেদন জমা দেন আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী আবদুর রাজ্জাক। এ সময় তিনি বলেন, তারা মতিউর রহমান নিজামী ও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার ক্ষেত্রেও একই ধরনের আবেদন জমা দেবেন।
এ প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে বলেছেন, “আইনে পুনর্বিচারের কোনো বিধান নেই। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বানচাল করার জন্য তারা (আসামিপক্ষ) বিধি বহির্ভূতভাবে এসব আবেদন করছে।”