Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

রসিক নির্বাচনে ভোটযুদ্ধ আজ

 ইতিহাসের নয়া পাতায় আজ নাম লিখতে চলেছে রংপুর। অপেক্ষার পালা শেষ করে সকাল ৮টা থেকে শুরু হচ্ছে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। ভোটের পরিবেশ নিরাপদ রাখতে এরই মধ্যে নিরাপত্তা বলয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে করপোরেশন রংপুরকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সন্দেহ হলেই চালাচ্ছেন তল্লাশি। নিরাপত্তা বাহিনী আর সাংবাদিকদের গাড়িতে ছেয়ে গেছে গোটা শহর। নির্বাচন উপলক্ষে বসে নেই কেউ। প্রার্থীদের সঙ্গে সাংবাদিক, পুলিশ, প্রশাসন, র‌্যাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। বাড়তি কথা বলার সময় নেই কারও। রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত ‘নগর পিতা’ হতে লড়াইয়ে আছেন ১২ প্রার্থী। মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা বন্ধ হয়েছে। ৫৫০০ নিরাপত্তাকর্মীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা চাদরে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রস্তুত ইসি। ভোটারদের নির্বিঘ্নে আনতে সব আয়োজন প্রস্তুত। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইসি এবং প্রশাসনের প্রতি আস্থা রাখতে আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিরাপত্তার বাড়াবাড়ি না করেও পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বির্তকমুক্ত নির্বাচন করতে চায় ইসি। সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়েছে। রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে ভোটের আগে-পরে সর্বোচ্চ নজরদারির কথা ও সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে রংপুর জেলা প্রশাসক ফরিদ আহম্মদ জানান। সিটি এলাকায় সব ধরনের মোটরসাইকেল, ট্রাক, বাস, কার, মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তবে দূরপাল্লার মহাসড়কের বাসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছে রিটার্নিং আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের উদ্যোগে করপোরেশন এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। রংপুরের পুলিশ সুপার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর জানান, রসিক নির্বাচনকে নিয়ে ঢাকায় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সেখানে গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৭৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১০৪ কেন্দ্রের তদারকের দায়িত্বে থাকছে পুলিশ, আর্মড পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও র‌্যাবসহ প্রতিটি কেন্দ্রে ২৪ জন করে নিরাপত্তাকর্মী। এছাড়া নগরীর অন্যান্য কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ২১ জন করে নিরাপত্তাকর্মী। সেই সঙ্গে ৩৩ ওয়ার্ডে ৩৩ ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক তদারক করবেন। নির্বাচন চলাকালে ৪৮ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ৪ প্লাটুন বিজিবি এবং র‌্যাবের ১১টি টিম মাঠে কাজ করবেন। ওদিকে নির্বাচন প্রচারণা বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গতকাল রংপুর নগরী ছিল স্তব্ধ। ভোটকে কেন্দ্র করে প্রার্থী ও সমর্থকদের মাঝে বাড়ছে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা। অন্তিম মুহূর্তে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচারণায় গত মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত উত্তপ্ত ছিল রংপুর সিটি করপোরেশন। মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, একেএম আবদুর রউফ মানিক প্রচারণায় নাওয়া-খাওয়া ভুলে গণসংযোগ করেছেন। প্রার্থীরা নিজেকে সৎ ও যোগ্য জাহির করে আধুনিক সিটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে নগর উন্নয়নে দিয়েছেন ভোটারদের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি। চেয়েছেন এবারের মতো জনসেবা করার সুযোগ। তাদের এই গণসংযোগের সঙ্গে সঙ্গে মাইকিং প্রচারণা ছিল তুঙ্গে। হোটেল-রেস্তরাঁ, পাড়া-মহল্লা সর্বত্রই ভোটের আলোচনা। সেই সঙ্গে প্রার্থীদের যোগ্যতা নিয়ে হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে বেশির ভাগ ভোটাররা তাদের অভিমত ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, আর ভুল নয়, এবার বিবেচনা করে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।
এদিকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থী ও সমর্থকদের মাঝে বাড়ছে উত্তেজনা। সোমবার রাতে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়, ককটেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ও ২০ ও ২৬নং ওয়ার্ড মুলাটোল ও নুরপুরে দুই কাউন্সিলর প্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাঙচুরের ঘটনার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে। প্রতিপক্ষের  হামলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার সমর্থক হান্নান আহত হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ সেতু নামে এক যুবককে আটক করেছে। ওদিকে এ হামলার ঘটনার জন্য মেয়র প্রার্থী মোস্তফা জাতীয় পার্টির মহানগর সভাপতি মসিউর রহমান রাঙ্গাকে দায়ী করে। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ছড়িয়ে পড়ে জাপা নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা। ফলে দলীয় কার্যালয়ে মসিউর রহমান রাঙ্গা এক সংবাদ সম্মেলন করে এ হামলার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য মোস্তফা নিজেই সন্ত্রাসী বাহিনী লেলিয়ে তার সমর্থকের ওপর হামলা চালিয়েছে। এদিকে নির্বাচনী আচরণবিধি যাতে লঙ্ঘন না হয় সেই সঙ্গে অপ্রীতিকর ও সহিংস ঘটনা না ঘটে এজন্য পুলিশ, আমর্ড পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের টহল জোরদার করা হয়েছে।
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে রংপুর নাগরিকদের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ নেতা শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু (মোটরসাইকেল), জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত নেতা মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা (হাঁস), একেএম আবদুর রউফ মানিক (চশমা) ও গণমঞ্চের ব্যানারে বিএনপি নেতা কাওছার জামান বাবলা (আনারস)-এর মধ্যে চতুর্মুখী লড়াই হবে বলে এলাকাবাসী অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে যে ৩ হেভিওয়েট প্রার্থী শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, একেএম আবদুর রউফ মানিক ও মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা রয়েছেন, তারা এক সময় জাতীয় পার্টির ব্যানার থেকেই আজকের এ অবস্থানে এসেছেন। শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু ৯০ দশকের পর জাতীয় পার্টির উপজেলা চেয়ারম্যান, এরপর রংপুর পৌর চেয়ারম্যান ও রংপুর-১ গঙ্গাচড়া আসনের এমপি নির্বাচিত হন। পরবর্তীকালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। একেএম আবদুর রউফ মানিক গত ২০০৪ সালে জাতীয় পার্টির ব্যানার থেকে পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। এরই মধ্যে ২০০৯ সালে জাতীয় পার্টির ব্যানার থেকে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আজকের এ নবগঠিত রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে জাতীয় পার্টিতে মেয়র প্রার্থী নিয়ে জটিলার সৃষ্টি হলে দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দুই মেয়র প্রার্থী রউফ মানিক ও মোস্তফাকে দল থেকে বহিষ্কার করেন। সেই সঙ্গে ঘোষণা দেন রসিক নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশ নিচ্ছে না এবং দলের কোন প্রার্থী নেই। এরপরও দুই প্রার্থী মোস্তফা ও মানিক এখনও এরশাদকে নেতা মেনে তার দোহাই দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। ওদিকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী না থাকায় শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টুও জাতীয় পার্টির সমর্থন নেয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধোঁয়া তুলে যদিও রাজনৈতিক ব্যানার থেকে কোন প্রার্থী দেয়া না হলেও আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত নেতা, ওয়ার্কার্স পার্টি, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন, বাসদ দলের মেয়র প্রার্থী রয়েছে। ওইসব দলীয় প্রার্থীদের লক্ষ্য একটাই, তাদের সমর্থকদের জয়ী করতে হবে। আর এ নিয়ে মাঠে-ঘাটে নির্বাচনী কাজ করেছেন তারা। এক নেতা জানান, রংপুর বিভাগের রাজনীতি নির্ভর করছে অনেকটা সিটি করপোরেশনের নেতৃত্বের ওপর। তাই নেপথ্যে থেকে দলের হাইকমান্ডের নির্দেশ, তাদের দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। আর এই লক্ষ্য নিয়ে প্রার্থীকে জয়ী করতে মাঠে নেমেছেন দলীয় সমর্থকরা। ২০৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৩ লাখ ১৯ হাজার ৭৯২ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ১২৮ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬১৪ জন। এ সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী পদে ১২ জন, ৩৩ ওয়ার্ডের জন্য ৩৩৯ কাউন্সিলর ও ১১ সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদের জন্য ৯১ মহিলা প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নেমেছেন। রসিক নির্বাচনে অন্যান্য মেয়র প্রার্থীরা হলেন কাজী মাজিরুল ইসলাম লিটন (টেলিভিশন), সাফিয়ার রহমান সফি (দোয়াত-কলম), কমরেড আবদুল কুদ্দুস (তালা), এডভোকেট ফিরোজ কবির চৌধুরী গুঞ্জন (কাপ-পিরিচ), গোলাম মোস্তফা (জাহাজ), ইঞ্জিনিয়ার ফারুখ আজিজ শাহীন (ঘোড়া), মেহেদি হাসান বনি (প্রজাপতি), আলী হায়দার সরকার দুলু (টেবিল)। রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে বৃহস্পতিবার রংপুরে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় কোন দলের পক্ষ থেকে হরতাল আহ্বান করা হলেও রংপুর থাকবে হরতালের আওতামুক্ত বলে অভিমত ব্যক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন।
১০৪টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে ১৭৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১০৪টিকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করে প্রতিটি কেন্দ্রে নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টিম কাজ করছে। নিরাপত্তার চাদরে ঢাকতে ৩৩টি ওয়ার্ডে মোতায়েন করা হচ্ছে পুলিশ, আর্মড পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র‌্যাব এবং ৪৮ জন জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচন সম্পন্ন করতে ২শ’ জন প্রিজাইডিং অফিসার ১১০০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ২২০০ জন পোলিং অফিসার ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকবেন। ১৭৮ ভোটকেন্দ্রের ১০৭০টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে শুধু ১১নং ওয়ার্ডের ৪ কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে।
সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন: পেশি শক্তির দাপট, ভোটারদের হুমকি প্রদান ও স্থানীয়দের সন্ত্রাসী তৎপরতায় আতঙ্কিত বিএনপি নেতা গণমঞ্চের মেয়র প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা (আনারস) ভোটকেন্দ্রে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন। গতকাল বুধবার তিনি তার জাহাজ কোম্পানি মোড়স্থ নির্বাচনী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সহিংসতার আশঙ্কা করে তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, অনেক ভোটকেন্দ্রে বিদুৎ ব্যবস্থা নেই। তার ওপর কুয়াশাচ্ছন্ন মেঘলা আকাশের কারণে ভোট প্রদানে সমস্যা হবে ভোটারদের। আর এ সুযোগকে কাজে লাগাবে সন্ত্রাসী বাহিনী। নির্বাচনী পরিবেশ অনুকূলে না থাকলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। ওদিকে জাতীয় পার্টির রংপুর-১ গঙ্গাচড়া আসনের এমপি হোসেন মকবুল শাহরিয়া আসিফ তার স্কাই ভিউ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে দাবি জানিয়ে জাতীয় পার্টিকে নিয়ে বিভিন্ন মহলে যে অপপ্রচার শুরু হয়েছে তা ভোটারদের আমলে না নেয়ার আহ্বান জানান।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট