Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

পদ্মায় দুর্নীতি মামলায় আসামি ধরতে অভিযান

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি ষড়যন্ত্রের মামলার অভিযুক্ত চার আসামি ধরতে অভিযান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব আসামি যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে সেজন্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে অবহিত করা হয়েছে।

বুধবার দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ শাখার পরিচালক স্কোয়াড্রন লিডার মো. তাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এ অভিযান শুরু করে।

সকালে র‌্যাব পদ্মা দুর্নীতি মামলার অন্যতম আসামি সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার বাসায় অভিযান চালায়। পরে অন্য তিনজনের বাসায়ও অভিযান চালানো হয়। তবে কাউকেই বাসায় পাওয়া যায়নি।

সেতু বিভাগের সাবেক সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকে মঙ্গলবার বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সোমবার বিকেলে রাজধানীর বনানী থানায় ৩ বিদেশিসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ আল-জাহিদ এ মামলা করেন। মামলা নম্বর ১৯।
প্রমাণাদি না পাওয়ায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও লাভালিনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীকে সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় বিদেশি তিন আসামি হলেন এসএনসি লাভালিনের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ, এবং এসএনসি লাভালিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস।

অন্য আসামিরা হলেন এসএনসি লাভালিনের স্থানীয় প্রতিনিধি মোহাম্মদ মোস্তফা, সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী মোহাম্মদ ফেরদৌস, সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজ আহমেদ জাবের।

অপরদিকে মঙ্গলবারই এ মামলা তদন্তে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে দুদক। কমিটির প্রধান করা হয়েছে দুদকের উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ-আল জাহিদকে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন উপ-পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলী, উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী ও মির্জা জাহিদুল আলম। সমন্বয়কারী হিসেবে রয়েছেন দুদকের পরিচালক মনিরুজ্জামান।

দুদকের আইন অনুযায়ী ৪৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে এ কমিটিকে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে বা তদন্ত কমিটির আবেদনের    প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত আরো ১৫ দিন সময় দেয়ার বিধান রয়েছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট