Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

তেজগাঁওয়ে বৃদ্ধা খুনের সন্দেহভাজন আসামি কাজের বুয়াকে খুঁজছে পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বৃদ্ধা শামীম আরা বেগম খুনের সন্দেহভাজন আসামি কাজের বুয়া পারভীনকে খুঁজছে পুলিশ। উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় তার গতিবিধি অনুসরণ করছে তারা। এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে বৃদ্ধার লাশের ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল সন্ধ্যায় আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তেজগাঁও থানা পুলিশ জানায়, নগদ টাকা লুটে নিতেই বাড়ির বৃদ্ধা ও অসুস্থ গৃহকর্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর থেকেই কাজের বুয়া পারভীন পলাতক। পালানোর আগে বাসার আলমারির দরজা ভেঙে নগদ ২৫ হাজার টাকা, কিছু স্বর্ণালঙ্কার, একটি মোবাইল ফোন ও জামাকাপড় লুট করেছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সোহানুজ্জামান বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলার তদন্ত সূত্র জানায়, লুট হওয়া মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে সন্দেহভাজন আসামি কাজের বুয়া পারভিনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোনের সিম বদল করলেও উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় ফোন ব্যবহারকারীর গতিবিধি অনুসরণ করছে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নিহতের স্বজনরা জানান, পলাতক কাজের বুয়া পারভিনের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। প্রায় পাঁচ মাস আগে সে ওই বাড়ির গৃহকর্মী হিসেবে কাজে যোগ দেয়। নিহত শামীম আরা ভুগছিলেন জটিল রোগে। তার দুটি কিডনিই অকার্যকর ছিল। নিয়মিত ডায়ালাইসিস করতে হতো। তার স্বামী আসাদুজ্জামান কনকর্ড কোম্পানির সিনিয়র হিসাব কর্মকর্তা। তাদের একমাত্র ছেলে সোহানুজ্জামান বেসরকারি মোবাইল কোম্পানি ও একমাত্র মেয়ে মৌমিতাজ সৌমি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করেন। এ কারণে দিনের বেশির ভাগ সময় বৃদ্ধা শাহীনবাগের ৫৬৪/২ নম্বর বাসায় একাই থাকতেন। এ ক্ষেত্রে তার দেখাশোনা করতেন ওই কাজের বুয়া। নিহতের দেবর শামসুজ্জামান বলেন, আলমারিতে রাখা নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারেনি কাজের বুয়া। ওই টাকা হাতিয়ে নেয়ার জ্যন সুযোগ বুঝে অসুস্থ ভাবিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। পরে আলমারি ভেঙে নগদ টাকা, কিছু স্বর্ণালঙ্কার ও ভাবির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায় সে। থানায় দায়ের করা এজাহারে সোহানুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভাইবোন ও তাদের বাবা অফিসে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। পরে দুপুরের দিকে তাদের গাড়ির চালক জুয়েল বাসায় এসে কলিং বেল চাপেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে ফিরে যান। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তার বাবা আসাদুজ্জামান দ্বিতীয় তলায় উঠে দেখতে পান তার ফ্ল্যাটের দরজা বাইরে থেকে সিটকিনি লাগানো। ঘরের আলমারির দরজা ভাঙা। বিছানায় মৃতের মতো পড়ে আছেন স্ত্রী। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তার ছেলেমেয়ে ও তেজগাঁও থানা পুলিশকে খবর দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তেজগাঁও থানার এসআই এ এফ এম সায়েদ বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বাসার কাজের বুয়া বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। হত্যার পর সে বাসার নগদ টাকাসহ দামি জিনিসপত্র হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে গেছে। তাকে ধরতে নানা কৌশলে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট