Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

রংপুর সিটি নির্বাচন: কে হচ্ছেন প্রথম নগর পিতা, ফয়সালা কাল

 ঝন্টু, মানিক, মোস্তফা তিন প্রার্থীই সেরা। কেউ বলেন শহরের ভোট আমার, কেউ বলেন গ্রামের ভোট আমার। আর শহরের মানুষ বলেন এক কথা, গ্রামের মানুষ বলেন আরেক কথা। ভোট নিয়ে বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
এদিকে রংপুরে জেলা জাতীয় পার্টি একটি সংবাদ সম্মেলন করে মেয়রপ্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তাফাকে ভোট না দেয়ার জন্য আহবান জানিয়েছেন। জাপার এরশাদের আশীর্বাদপুষ্ট মশিউর রহমান রাঙ্গা সোজা বলেছেন তাকে ভোট দেয়া যাবে না।
এদিকে আতঙ্ক কাজ করছে প্রার্থীদের মধ্যে। কাউন্সিলর প্রার্থীরা নেমেছেন টাকার খেলায়। সেই প্রভাব পড়েছে মেয়র প্রার্থীদের ওপর। সে কারণে তারাও বসে নেই। এককভাবে কোন ভোটারকে না দিলেও ক্লাব, মসজিদ, মন্দির আর দেওয়ানীদের হাতে টাকা দিচ্ছেন।
চান রাতের ভয় কাজ করছে তিন প্রার্থীর মধ্যে। লেনদেন না হলে আমিই হবো- প্রথম সিটি ফাদার। আমাকে ঠেকানোর মতো কোন অবস্থা রংপুরের সিটি নির্বাচনে প্রার্থী নেই। এ কথাগুলো বলেন সাবেক এমপি আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শরফুদ্দিন আহম্মেদ ঝন্টু।
অপরদিকে অপর মেয়র প্রার্থী সাবেক পৌর চেয়ারম্যান আবদুর রউফ মানিকের নাম রয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। আলোচনায় রয়েছেন সাবেক জাপা নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাও। তবে তার পক্ষের ডান অথবা বাম পাশের নেতারা হিসাব করেন আলাদা। তারা কেউ কাউকে হিসাবে নিতে রাজি নন। তবে জাতীয় পার্টির ত্যাগী নেতা মোস্তাফিজার রহমানের লোকজন ঝন্টু আর মানিকের নাম উল্লেখ করে বলেন, ট্যাকা থাকলি ভোট হয় না। মাইনসে ট্যাকা দিয়া ভরে দিছে। হামার ট্যাকা নাই কিন্তু ভোট আছে। মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার ভোট বেশিরভাগ গ্রাম পর্যায়ে। গ্রামের মানুষ মোস্তাফাকে ফেলতে চায় না ।
নাওয়া-খাওয়া হারাম প্রার্থীদের। রাত পোহালেই ভোট। রংপুর শহর আর চেনা যায় না। রংপুরের রং বদলে গেছে। ভোটাদের কাছে জানা যায়, এবার বাঘ-সিংহের লড়াই। মেয়র প্রার্থী আবদুর রউফ মানিক মনে করেন রংপুরের সচেতন মানুষ তাকে চায়। তার ভাই শামীম খান বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে টাকা ছিটিয়ে ভোট হবে না। তিনি গতকাল রাত ৯টায় রংপুর রেল স্টেশন এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
শামীম খানের অভিযোগ তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ঝন্টু টাকার কারবার করছেন। ভোটের জন্য তিনি একরাতে রংপুরের সবগুলো মন্দিরে একটি করে টিউবওয়েল দিয়ে রাতারাতি তার গোড়াও পাকা করে দিয়েছেন।
অপরদিকে জাতীয় পাটির ত্যাগী নেতা এরশাদের আশীর্বাদপুষ্ট নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, আমরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছি। আমাদের কোন প্রার্থী এ ইলেকশনে নেই। কাজেই ভোটবিষয়ক দলগত সিদ্ধান্ত আমাদের নেই। আমরা নেতার বাইরে কোন কথা বলতে পারবো না।
তবে তলে তলে জাতীয় পার্টির বড় অংশ নাকি ঝন্টুর হয়ে কাজ করছেন। আর এ পদটি দখল করতে তিন দলের নেতাদের তোষামোদ করছেন গোপনে। দু-একটি দল তাদের তীরে ঘায়েল হলেও জাতীয় পার্টির ভোট নিয়ে সংশয়। আর জাপার ভোট যেদিকে ভর করবে ওই প্রার্থীকে ঠেকানো যাবে না। ভোটের মাঠে লড়াই হচ্ছে ত্রিমুখী।
রংপুর সিটি নির্বাচনে শরফুদ্দিন আহম্মেদ ঝন্টু (মোটরসাইকেল), এ কে এম আবদুর রউফ মানিক (চশমা), মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার (হাঁস) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট