Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে জামায়াতকে ডাকার প্রশ্নই ওঠে না’

বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াতকে ডাকা হয়নি বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম। বলেছেন, সংবর্ধনা সমাবেশে জামায়াতকে দাওয়াত দেয়া হয়েছে বলে যেসব গণমাধ্যম লিখেছে তা মিথ্যাচার। মনের মাধুরী মিশিয়ে তারা এ তথ্য লিখেছেন। মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াত ইসলামীকে দাওয়াত দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এ সময় তিনি দল-মত-জাতি-ধর্মনির্বিশেষে সকল মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা সমাবেশে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান। সন্ধ্যায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, আজ দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা জানাবেন। তিনি বলেন, দেশের সব মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা জানাতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিএনপি মুক্তিযোদ্ধাদের দলীয়করণের নীতিতে বিশ্বাসী নয়। সে জন্য দলমত নির্বিশেষে সব মুক্তিযোদ্ধাদের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সরকারের সমালোচনা করে তরিকুল ইসলাম বলেন, মিথ্যাচার করে বিশ্বজিত হত্যাকাণ্ড ঢাকা দিতে না পেরে সরকার ভয়ংকর প্রতিহিংসায় নেমে পেড়েছে। অন্ধ হিংসায় মেতে উঠেছে। তাদের চন্ডনীতিতে দেশে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সারদেশে হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩০ হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। আইনের শাসনকে তারা হত্যা করেছে। দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে গৃহযুদ্ধের দামামা বাজাচ্ছে মতাসীনরা। মতার দম্ভে সরকার বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার হরণ করে দেশকে বিরোধী দল শূন্য করার মহাউদ্যোগ ও উন্মাদনায় মেতে উঠেছে, যার পরিণতি তারা টের পাচ্ছে না। সংবাদ সম্মেলনের মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা সমাবেশের আহ্বায়ক মেজর (অব.) শাহজাহান ওমর বীরউত্তম বলেন, এই সমাবেশ নিয়ে অনেকে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। আমাদের এই সমাবেশ সম্পূর্ণ নির্দলীয়, নিরপে। এতে ১৮ দল নেই। তথাকথিত রাজাকার, তথাকথিত জামায়াত ও তথাকথিত যুদ্ধাপরাধী নেই। এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলমত নির্বিশেষে সব মুক্তিযোদ্ধাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। শাহজাহান ওমর বলেন, আমি নিজেই মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি হেলাল মোর্শেদ খান, কেএম সফিউল্লাহ, রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম, সেক্টর কমান্ডারগণসহ সকল মুক্তিযোদ্ধাকে সমাবেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট